হাইকোর্টের রায়

মানবিক বিবেচনায় কিডনি দেয়া যাবে তবে বেচাকেনা নয়

স্টাফ রিপোর্টার

শেষের পাতা ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:০৫

মানবিক বিবেচনায় ও সহানুভূতিশীল যে কেউ অন্যদের কিডনি দিতে পারবেন। তবে মাদকাসক্ত ও কিডনি কেনাবেচা করেন- এমন ব্যক্তিদের কিডনি নেয়া যাবে না। গতকাল জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট  বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুদ্দিন খালেদ।

আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, ফাতেমা জোহরা ২০১৫ সালে তার মেয়ে ফাহমিদাকে একটি কিডনি দান করেন। এরপরও মেয়ের কিডনি অকেজো হয়ে গেছে। বর্তমানে ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে, যা ব্যয়বহুল। কিন্তু আইনগত বাধার কারণে মেয়েকে অন্য দাতার কাছ থেকে কিডনি দিতে পারছিলেন না তিনি।
এ অবস্থায় তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

এর আগে, চলতি বছরের ২৮শে আগস্ট হাইকোর্ট কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামত জানতে চান। ৭ই নভেম্বর কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ে সাত সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কমিটি আদালতে তাদের মতামত দেন। মতামতে তারা বলেন, আত্মীয় নয় এমন কারো কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন নেই। আইনের বাইরে অন্য কারো কিডনি প্রতিস্থাপনের সুযোগ তৈরি হলে দেশের দরিদ্র মানুষের জীবন সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। ধনীরা বাণিজ্যিকভাবে এর ব্যবহার শুরু করবে। এতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচারের মাত্রা বাড়বে। তবে বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামতের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিষয়ে বিদ্যমান আইন সংশোধন হওয়া প্রয়োজন। কারণ, এ আইনে নিকটাত্মীয় ছাড়া অন্য কারো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দানের সুযোগ রাখা হয়নি। তাই একজন সুস্থ মানুষ চাইলে অন্য কাউকে তার অঙ্গদান করতে পারবেন- এমন আইন থাকা উচিত।

আপনার মতামত দিন

শেষের পাতা অন্যান্য খবর

প্রথম আলো সম্পাদকের জামিন

২১ জানুয়ারি ২০২০

সংস্কারপন্থিদের জয়জয়কার

জামায়াতের নবগঠিত কমিটিতে স্থান পেলেন যারা-

২১ জানুয়ারি ২০২০

থানা হেফাজতে এফডিসি কর্মকর্তার মৃত্যু

সহকর্মীদের বিক্ষোভ নানা প্রশ্ন

২১ জানুয়ারি ২০২০





শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত