ডেমোক্রেট বিতর্কে প্রাধান্য পেল অভিশংসন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ৫ম দফা বিতর্কে প্রাধান্য বিস্তার করেছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসনের বিষয়। জর্জিয়ার আটলান্টায় টেলার পেরি স্টুডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল) ডেমোক্রেট দলের ১০ জন প্রার্থী বিতর্কে অংশ নেন। তারা মার্কিন ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু বিতর্কে কয়েক ঘন্টাজুড়ে আলোচনা হয় অভিশংসন নিয়ে। বিশেষত, কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে এই অভিশংসন প্রক্রিয়া। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

ডেমোক্রেট দলের সম্ভাব্য প্রার্থী এবং সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবার ফ্রন্টরানার। ট্রাম্পকে অভিশংসিত করা উচিত বলে যারা প্রথম দাবি তুলেছিলেন তার মধ্যে অন্যতম এলিজাবেথ।
তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আইনবহির্ভূতভাবে অগ্রসর হচ্ছেন। ইউক্রেন ইস্যুতে সর্বশেষ যেসব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে তাতে প্রেসিডেন্টকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া উচিত বলে তিনি রিপাবলিকান সিনেটরদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় তিনি তার দুর্নীতিবিরোী পরিকল্পনাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রদূত গর্ডন সন্ডল্যান্ডের মতো বড় বড় ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা। অভিশংসন প্রস্তাবে শক্ত সমর্থন আছে ডেমোক্রেট আরো দু’জন প্রার্থীর। তারা হলেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং সাউথ বেন্ডের মেয়র পিটি বুটিগিগ। এর মধ্যে ট্রাম্পকে ‘প্যাথোলজিক্যাল’ মিথ্যাবাদী হিসেবে মাঝে মাঝেই অভিহিত করেন বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি আরো বলেছেন, আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ প্রেসিডেন্ট হলেন ট্রাম্প। অন্যদিকে পিটি বুটিগিগ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তবে তিনি ঐক্যের কথা বলেন। এরপরেই আলোচনায় আসেন জো বাইডেন, যাকে নিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই অভিশংসন প্রস্তাব। জো বাইডেন তার বক্তব্যে বলেন, তাকেই ট্রাম্প সবচেয়ে উত্তম প্রার্থী হিসেবে মনে করেন। ট্রাম্প মনে করেন তাকে হারাতে পারেন জো বাইডেন। তাই জো বাইডেনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন ট্রাম্প।

এর বাইরে ডেমোক্রেট দলীয় এসব প্রার্থী ট্যাক্স, পেিবশ, পররাষ্ট্রনীতি, স্বাস্থ্যসেবা সহ নানা ইস্যুতে কথা বলেন। বিতর্ক অনুষ্ঠানে কংগ্রেসওমেন তুলসি গাব্বাড় অভিযোগ করেন, পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক এস্টাবলিশমেন্ট, মিলিটারি-ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স এবং লোভি করপোরেট স্বার্থের কারণে দুর্নীতিতে পড়েছিল ডেমোক্রেট পার্টি। তার এ বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন সিনেটর কমলা হ্যারিস। জুলাইয়ের বিতর্কে কমলা হ্যারিসের ‘ক্রিমিনাল জাস্টিস রেকর্ড’কে আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছিলেন তুলসি গাব্বাড়। তার যেন একটু ফেরত দিলেন তুলসি গাব্বাড় এদিন।  

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ফ্লোরিডায় নৌঘাঁটিতে হামলা, বন্দুকধারীসহ নিহত ৪

দূষণে বাড়ছে মৃত্যু সর্বাধিক ঝুঁকিতে শিশুরা

বিমর্ষ ওরা তিন জন

হাস্যোজ্জ্বল মেয়েটিকে মারলো কে?

‘বন্ধু ভারত যেন আতঙ্ক জাগানো কিছু না করে’

ভ্রাম্যমাণ হকার সিন্ডিকেট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেই কোটিপতি পিয়ন গ্রেপ্তার

চলছে দাম বাড়ানোর ঘষামাজা

আওয়ামী লীগে নতুন হিসাব

নতুন জীবনে সৃজিত-মিথিলা

বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন: কাদের

বিএসএমএমইউ ভিসি আদালত অবমাননা করেছেন: ফখরুল

সোমবার লোকসভায় পেশ হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল

বিচারের মুখোমুখি সুচি, রয়টার্সের বিশ্লেষণ

মোবাইলফোনের একটি কলে ভেঙে যেতে পারে সুন্দর সম্পর্ক

বিদেশি ঋণ পরিশোধের শর্ত শিথিল