অযোধ্যা মামলার বৃত্তান্ত (১৫২৮-২০১৯)

এক্সক্লুসিভ

| ১০ নভেম্বর ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৪
১৫২৮: মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপ্রধান মীর বাকী বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন।
১৮৮৫: মহন্ত রঘুবীর দাস বাবরি মসজিদের বাইরে একটি অস্থায়ী মন্দির তৈরির দাবি জানান। ফৈজাবাদ কোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।
১৯৪৯:  বিতর্কিত কাঠামোর বাইরে কেন্দ্রীয় ডোমের নিচে রাম লালার মূর্তি স্থাপন করা হয়।
১৯৫০: জনৈক গোপাল সিমলা বিশারদ রাম লালার মূর্তি পূজার জন্য ফৈজাবাদ জেলা কোর্টে  আবেদন জানান।
১৯৫৯: এলাকার অধিকার দাবি করে নির্মোহী আখড়া মামলা করে।
১৯৬১: উত্তরপ্রদেশের সুন্নি ওয়াক্‌ফ বোর্ডও এলাকার অধিকার জানিয়ে পাল্টা আবেদন করে।
১৯৮৬ (১লা অক্টোবর): স্থানীয় আদালত সরকারকে এক নির্দেশে হিন্দুদের পূজা করার অনুমতি দিয়ে রামলালা যেখানে রয়েছে তার গেট খুলে দিতে বলে।
১৯৮৯: ভগবান শ্রী রামলালা বিরাজমানের পক্ষে তার সখা এলাহাবাদ হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি দেওকী নন্দন আগরওয়াল আদালতে মামলা করেন।
১৯৯০ (২৫শে সেপ্টেম্বর): অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে  বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানী গুজরাটের সোমনাথ থেকে দেশব্যাপী রথযাত্রা শুরু করেন।  
১৯৯২ (৬ই ডিসেম্বর): বিজেপি নেতাদের নেতৃত্বে করসেবকদের একটি দল উন্মত্ততার সঙ্গে বাবরি মসজিদকে ধূলিসাৎ করে দেয়।

১৯৯৪ (২৪শে অক্টোবর): সুপ্রিম কোর্ট ইসলাম ফারুকির মামলায় রায়ে প্রথম জানায় যে, মসজিদ ইসলাম ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়।
২০০২ (এপ্রিল): এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিতর্কিত স্থানের মালিকানা সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু করে।
২০১০ (৩০শে সেপ্টেম্ব): এলাহাবাদ হাইকোর্ট ২:১ সংখ্যাধিক্যের রায়ে বিতর্কিত জমিকে সুন্নি ওয়াক্‌ফ বোর্ড, নির্মোহী আখড়া এবং রামলালার মধ্যে তিনভাগে ভাগ করার নির্দেশ দেয়।

২০১১ (৯ই মে): সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যার ভূমি বিবাদ নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়।
২০১৭ (২১শে মার্চ): সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জেএস খেহার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে কোর্টের বাইরে সমাধান খোঁজার কথা বলেন।
২০১৭ (১লা ডিসেম্বর: ২০১০ সালের এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ৩২ জন সিভিল রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট মামলা করে।

২০১৯ (৮ই জানুয়ারি): সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যার বিতর্কিত ভূমি বিবাদ মামলার শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, শরদ অরবিন্দ বোরদে, এনভি রমন, ইউইউ ললিত ও ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়কে নিয়ে ৫ সদস্যের সংবিধান বেঞ্চ গঠন করে।

২০১৯ (২৫শে জানুায়ারি): বিচারপতি ইউ ইউ ললিত এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোয় সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বেঞ্জ প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, শরদ অরবিন্দ বোরদে, এস আবদুল নাজির, অশোক ভূষণ ও ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়কে নিয়ে পুনর্গঠন করে।

২০১৯ (২৬শে ফেব্রুয়ারি): সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতার কথা জানায়। তিন সদস্যের মথ্যস্থতাকারী কমিটি তৈরি করে দেয়।
২০১৯ (৯ই মে): মধ্যস্থতাকারী কমিটি সুপ্রিম কোর্টে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করে।
২০১৯ (১লা আগস্ট): মধ্যস্থতাকারী কমিটি সিলকরা খামে আদালতে তাদের রিপোর্ট জমা দেয়।
২০১৯ (৬ই আগস্ট): সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যা ভূমি বিবাদ মামলার প্রতিদিন শুনানির কথা ঘোষণা করে।
২০১৯ (১৬ই অক্টোবর): শুনানি শেষ ঘোষণা করে আদালত রায় সংরক্ষিত রাখে।
২০১৯ (৯ই নভেম্বর): চূড়ান্ত রায় ঘোষণা।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন