বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবহারে ‘আংশিক স্বাধীন’: ফ্রিডম হাউজ

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ৭ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৪৪
ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘আংশিক স্বাধীন’। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠন ফ্রিডম হাউজের সাম্প্রতিক এক জরিপ প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে। ৬৫টি দেশের ইন্টারনেট ও ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহারের স্বাধীনতা মূল্যায়ন করে ‘ফ্রিডম অন দ্য নেট’ শীর্ষক জরিপ করেছে সংগঠনটি। জরিপে ১০০’র মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৪৪ পয়েন্ট ও ‘আংশিক স্বাধীন’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে। জরিপ তালিকার শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির স্কোর ৯৫।

ফ্রিডম হাউজ মোট ২১টি প্রশ্ন ও প্রায় ১০০ উপ-প্রশ্ন তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে জরিপ সম্পন্ন করেছে। ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে- ব্যবহারের পথে বাধা, বিষয়বস্তুর ওপর সীমাবদ্ধতা ও ব্যবহারকারীর অধিকার লঙ্ঘন। প্রশ্নগুলোর উত্তর ভিত্তিতে পাওয়া স্কোর হিসেবে ফ্রিডম হাউজ দেশগুলোর ইন্টারনেট স্বাধীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করেছে: ১০০-৭০ হলে ‘স্বাধীন’; ৬৯-৪০ হলে ‘আংশিক স্বাধীন’ ও ৩৯-০ হলে ‘স্বাধীন নয়’।

জরিপে মূল্যায়ন করা ৬৫টি দেশের মধ্যে ৩৩টি দেশ গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় তালিকার নিচের দিকে নেমে এসেছে।
সবচেয়ে বেশি অবনতি দেখা গেছে যথাক্রমে সুদান ও কাজাখাস্তানে। এরপর যথাক্রমে ব্রাজিল, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের অবনতি সর্বোচ্চ।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়মিত হারে বেড়ে চলেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করে। বেসরকারি ইন্টারনেট সেবার উচ্চমূল্য নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। জরিপ করার সময়কালে  মোবাইল ইন্টারনেট সেবা সংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফরমগুলোর ওপর বিধিনিষেধ বেড়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

ফ্রিডম হাউজ বলেছে, এই জরিপ পরিচালনার সময়কালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট স্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে। সরকার না পদ্ধতি অবলম্বন করে অনলাইনে কার্যক্রম সীমিত করেছে। কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে। যোগাযোগ ও তৎপরতা কমাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত করেছে। নতুন নজরদারি কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। সাংবাদিক ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তার করেছে।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, নিরাপদ সড়ক ও অন্যান্য সংস্কারের দাবিতে হওয়া গণআন্দোলনের সময় অনলাইন সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের ওপর চাপ বেড়েছে। একই ঘটনা ঘটেছিল ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়। নির্বাচনটি ঘিরে অনিয়ম ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনের পরে ২০১৯ সালে কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিউজ ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

৫ বছর পর ২০০০ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেলো হারানো বিড়াল

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৬৪ জেলায় রদবদল

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

বাণিজ্যযুদ্ধের সমাধান না হলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হতে পারে: কিসিঞ্জার

আমাকে পছন্দ না হলে প্রকাশ্যে বলুন: ড. মাহাথির

‘সন্তানরা মাঠে নামলে পিঠের চামড়া থাকবে না’

দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি: মওদুদ

উত্তর প্রদেশে বিদ্রোহের মুখে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী!

পরিবহন শ্রমিকদের আশ্বস্ত করলেন ওবায়দুল কাদের

ময়মনসিংহে দুপুর থেকে আবারও বাস চলাচল বন্ধ

বৃটেন-চীন কূটনৈতিক পাল্টাপাল্টি

বনশ্রীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান সালামের মামলা বাতিল

মাধবপুরে পুলিশ চেকপোস্টে হামলা, আহত ৪

ডেমোক্রেট বিতর্কে প্রাধান্য পেল অভিশংসন

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি