বাংলাদেশ, নেপাল হয়ে ভোজ্যতেল আমদানির বিরুদ্ধে ভারত সরকারের কাছে নালিশ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৩৯
বাংলাদেশ ও নেপাল হয়ে ভোজ্য তেলের বিপুল পরিমাণ প্রবেশের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে সলভেন্ট এক্সট্রাক্টরস এসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (এসইএ)। তারা অবিলম্বে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে নোট পাঠিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে। একই সঙ্গে এ দুটি দেশ থেকে ভোজ্য তেল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা অবিলম্বে বন্ধ ও এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এ খবর দিয়েছে ভারতের অনলাইন ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।

এসইএ’র মতে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে অল্প অল্প করে তেল আমদানি শুরু হয়েছিল। কিন্তু তা এখন উদ্বেগজনক হারে চলছে। এতে ভারতের পূর্বাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের পরিশোধন বিষয়ক শিল্পকে শুধু টিকে থাকাই হুমকিতে ফেলেছে এমন নয়। একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে পাঠানো এক নোটে এসইএ বলেছে, এতে তেলবীজ চাষীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ, তেল আমদানি করার কারণে ভারতের তেলবাজার এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। ভোজ্যতেলের  উচ্চ আমদানি শুল্ক আদায় ব্যাহত হচ্ছে।

এসইএ’র নির্বাহী পরিচালক বিভি মেহতা বলেন, সার্কভুক্ত উন্নয়নশীল কমপক্ষে ৫টি দেশ ভারতে যে পণ্য রপ্তানি করে তারা তাতে কাস্টমস ডিউটির ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ মাফ পায়। এই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে পামওয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানি শুরু হয়েছে, যেখানে শুল্কহার শূন্য। এই সুবিধা নিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করা হচ্ছে। নেপালে সয়াবিনের উৎপাদন নেই। তাদের পামওয়েলেরও উৎপাদন নেই। ফলে নেপাল থেকে যে পামওয়েল আমদানি করা হচ্ছে তা মূলত ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার। আর সয়াবিন হলো দক্ষিণ আমেরিকার। শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য এসব তেল নেপাল ও বাংলাদেশের মাধ্যমে আমদানি করা হয়।


তিনি আরো বলেন, পরিশোধিত পামওয়েলের বর্তমান আমদানি শুল্ক শতকরা ৫০ ভাগ। সয়াবিনের ক্ষেত্রে তা শতকরা ৪৫ ভাগ। এর সঙ্গে যোগ হয় স্বচ্ছ ভারত বিষয়ে শতকরা ১০ ভাগ। বর্তমান মূল্যে নেপাল হয়ে প্রতি টন পরিশোধিত সয়াবিন তেলের মূল্য পড়ে প্রায় ২৪০০০ রুপি। আর পামওয়েলের ক্ষেত্রে তা প্রায় শতকরা ২১ হাজার রুপি। এসব খাত থেকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অন্য কথায় ২০ হাজার টন সয়াবিন ও পামওয়েল আমদানিতে ভারত সরকার প্রতি মাসে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কোটি রুপি রাজস্ব হারাচ্ছে। এই প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আমরা নিশ্চিত এই রাজস্ব হারানোর অঙ্ক প্রতি মাসে ১০০ কোটি রুপিতে গিয়ে দাঁড়াবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভারতে হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন মোদি: ইমরান

আসুন, মিথ্যাবাদীকে গাল দেই ‘সুচি’ বলে

বালিশকাণ্ডে গণপূর্তের সাবেক প্রধান প্রকৌশলীসহ ১৩ জন গ্রেপ্তার

নেত্রীর জামিন না হওয়ায় কোর্টের বারান্দায় অঝোড়ে কাঁদলেন শিরিন

নাইজারে সেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলায় নিহত ৭৩

‘সার্বভৌম দেশ হিসেবে গাম্বিয়া আবেদন করেছে’

পররাষ্ট্র মন্ত্রীর ভারত সফর বাতিল

‘বিমানে পিয়াজ আমদানিতে কেজিতে খরচ ১৫০ টাকা’

হেগে চলছে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক

নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪, তদন্ত কমিটি গঠন

হাইকোর্টের সামনে থেকে দুই বিএনপি নেতা আটক

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন জয়নুল

খালেদার জামিন আবেদন খারিজের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

সুচির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান রোহিঙ্গাদের

‘ন্যায় বিচার পাইনি’

বৃটেনে ভোটকেন্দ্রের কাছে সন্দেহজনক ডিভাইস