ব্রেক্সিট নিয়ে বৃটেন ইইউ সমঝোতা

শেষের পাতা

মানবজমিন ডেস্ক | ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:২৯
নতুন ব্রেক্সিট চুক্তিতে সম্মত হয়েছে বৃটেন ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)। গতকাল ইউরোপীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ এক সম্মেলনের আগে এমনটা জানান বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি টুইটে বলেন, আমরা এক অসাধারণ চুক্তিতে পৌঁছেছি। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্লামেন্টে নিয়ন্ত্রণ ফেরানো যাবে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

খবরে বলা হয়, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি করতে তীব্র আলোচনা চলেছে বৃটেন ও ইইউ’র মধ্যে। অবশেষে বৃহসপতিবার চুক্তিটির চূড়ান্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। তবে, চুক্তি নিশ্চিত হওয়া যথেষ্ট নয়। ১৯শে অক্টোবরের মধ্যে চুক্তিটি নিয়ে ভোট হবে বৃটিশ ও ইইউ পার্লামেন্টে।
উভয় পার্লামেন্টে চুক্তিটি পাস হলে তবেই এর শর্ত মেনে ব্রেক্সিট কার্যকরের দিকে আগাবে দুই পক্ষ। অন্যথায়, গত মাসে বৃটিশ পার্লামেন্টে পাস হওয়া ‘বেন অ্যাক্ট’ অনুসারে, ইইউ’র কাছে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা পেছানোর অনুরোধ করে চিঠি লিখতে বাধ্য হবেন জনসন।

এদিকে, জনসনের চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে বৃটেনের বিরোধী দলগুলো। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই জনসন নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টির। চুক্তি পাস করতে হলে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি (ডিইউপি)-এর সমর্থন লাগবে তাদের। তবে ডিইউপি নতুন চুক্তিটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেছে, তারা চুক্তিটি সমর্থন করবেন না। জনসন নতুন চুক্তির ঘোষণা দেয়ার আগ দিয়ে এক বিবৃতিতে তারা জানায়, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে জনসনের প্রস্তাব সমর্থন করবে না তারা। পরবর্তীতে জনসনের ঘোষণার পরও নিজেদের অবস্থানে অটল থাকার কথা জানিয়েছেন তারা। বৃটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন জানান, নতুন চুক্তিটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র প্রস্তাবিত চুক্তির চেয়েও মন্দ। এমপিদের উচিত এটা প্রত্যাখ্যান করা।

তবে, ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট জিন-ক্লদ জাংকার জানিয়েছেন, এটি একটি ন্যায্য ও সুষম চুক্তি। ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড টাস্কের কাছে লেখা এক চিঠিতে তিনি বলেন, ইইউ থেকে বৃটেনের বহুল প্রতীক্ষিত বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া কার্যকর করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব তা কার্যকর করে দুই পক্ষের ভবিষ্যৎ সমপর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু করা উচিত। জাংকার ও জনসন উভয়ে তাদের পার্লামেন্টে চুক্তিটি পাস করার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

চুক্তিটি নিয়ে ইইউ’র প্রধান আলোচনাকারী মিশেল বার্নিয়ার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা বৃটিশ সরকারের সঙ্গে ইইউ থেকে বৃটেনের  অনুমোদিত বিচ্ছেদ ও ভবিষ্যৎ সমপর্কের কাঠামো নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছি। তিনি বলেন, এই সমঝোতা চুক্তি ব্রেক্সিট নিয়ে সকল অনিশ্চয়তা দূর করবে।

জনসন তার চুক্তিতে আয়ারল্যান্ড ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার সীমান্ত নিয়ে মে সরকারের প্রস্তাবিত ‘ব্যাকস্টপ পরিকল্পনা’ সরিয়ে ফেলার দিকে জোর দিয়েছেন। ব্যাকস্টপ দূর করার মাধ্যমে নিজ দল ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডভিত্তিক ডিইউপি’র সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি। নতুন পরিকল্পনা অনুসারে, ব্রেক্সিটের পর ইইউ’র সঙ্গে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের সমপর্ক বৃটেনের অন্যান্য অংশের চেয়ে ভিন্ন হবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘জয়বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করায় আ স ম রবের অভিনন্দন

ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে পদস্খলন হলে ভারতের ঐতিহাসিক অবস্থান দুর্বল হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জীবন নিয়ে ‘শঙ্কিত’ ইলিয়াস কাঞ্চন

মুম্বইয়ে মার্কেট থেকে পিয়াজ চুরি (ভিডিও)

বিশ্বজুড়ে আড়াইশ সাংবাদিক জেলে, শীর্ষে চীন

চলন্ত বাস থেকে পড়ে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

‘ভিন্নমতের কারণে ১০ বছরে ৩৫ লাখ আসামী, নিহত ১৫২৫, গুম ৭৮১’

সেনাদের পক্ষ নিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন সুচি

শায়েস্তাগঞ্জে ট্রেনের ঝাপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

সমকামিতা: আনোয়ার ইব্রাহিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ

মানবতাবিরোধী অপরাধ: টিপু সুলতানের ফাঁসি

অপহরণের ৫দিন পর মিললো শিশুর লাশ

তামিলদেরও নাগরিকত্ব বিলে আনার আহ্বান

নাগরিকত্ব বিল মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য

‘সুচির আত্মপক্ষ সর্মথনের সুযোগ আছে বলে মনে হয় না’

কলকাতার বাজারে পদ্মার ইলিশ কিনলে পেঁয়াজ ফ্রি