পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মানবেতর জীবন যাপন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রোববার, ১:২৩
রাত-বিরাতে, কাক ডাক ভোরে ঘর থেকে বের হয়ে যান তারা। উদ্দেশ্য একটাই পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা। এই নগরকে ক্লিন রাখার দায়িত্বে তারা। ক্লান্তিহীন শ্রমে সেই কাজটাই করেন। রাতের গতি দানব বা বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জীবনও দিতে হয়েছে অনেককে। তবুও ক্লিন ঢাকা গড়তে তারা দায়িত্বশীল। তারা বদলে দেন সড়ক, ফুটপাত, অলি-গলি। কিন্তু নিজের জীবন বদলে না তাদের।
মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের অধীনে কর্মরত প্রায় সাড়ে সাত হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এরমধ্যে চার হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী সম্পূর্ণ অস্থায়ীভিত্তিতে কাজ করছেন। তাদের মাসিক বেতন নির্ধারিত ১৪,৩০০ (চৌদ্দ হাজার তিন শত) টাকা মাত্র। কর্মীরা জানান, নেই কোনো ইনক্রিমেন্ট, বোনাস, উৎসবভাতা বা ন্যূনতম চিকিৎসাভাতাও দেয়া হয় না। যার ফলে এই সামান্য বেতন দিয়ে এই দুর্মূল্যের বাজারে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের।

নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা তাদের। সন্তানদের লেখাপড়া, বাসা ভাড়া, খাবারের ব্যয় জুটাতে ওই চাকরির বেতনের উপরই নির্ভর থাকতে হয়।

মেয়র আসেন, মেয়র যান। সবাই আশ্বাস দেন কিন্তু তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয় না। রাজধানীর বাইরে অন্যান্য সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তাদের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থায় রয়েছেন। অথচ রাজধানীর হয়েও আমরা ঢাকার পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মনে করেন তারা। ঢাকা সিটি করপোরেশন বিভক্ত হওয়ার পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৭৪২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন। তার মধ্যে চাকরির বয়সসীমা ৫৯ বছর করে প্রায় ৩০০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বাদ দেয়া হয়েছে। এই পরিবারগুলো দৈনন্দিন সাংসারিক ব্যয় মেটাতে গিয়ে অনেকে ভিক্ষা পর্যন্ত করছেন।


দীর্ঘদিন ধরে আমরা অস্থায়ীভিত্তিতে কাজ করলেও আজ অবধি তাদের চাকরি স্থায়ীকরণ করা হয়নি। তাদের মধ্যে অনেকে ৩১ বছর ধরে অস্থায়ীভিত্তিতে কর্মরত রয়েছেন। চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য অনেক আবেদন-নিবেদন করেও এ দাবি পূরণ হয়নি। চাকরি স্থায়ী করণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাকরির বয়সসীমা ৫৯ বছর আইন বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Sabuz

২০১৯-০৯-২২ ১৩:২৭:২৮

এই রিপোর্টার এইসব পরিচ্ছন্নকর্মীদের ব্যাপারে দেখছি কিছুই জানেন না,এরা এই পরিচ্ছন্ন কর্মীর চাকরী টাকা দিয়ে কিনে নেয়,একেকটা চাকরী প্রায় ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকায় কিনে তারা।কোন সুবিধা না পেলে কেন কিনে তারা,তাদের আছে অন্যরকম ক্ষমতা এই চাকরী দ্বারা,আবার অনেকেই চাকরী নিজে করায় না টাকা দিয়ে বদলী করায়।নিজে বসে বসে বেতন উপভোগ করে।

আপনার মতামত দিন

দলবেঁধে বিদেশ ভ্রমণ

টাকার মান কমানোর উদ্যোগ যা ভাবছেন বিশ্লেষকরা

ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত

দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ করা উচিত

গণভবনে আবরারের বাবা-মা, দ্রুত বিচারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চার বড় ভাইকে নিয়ে সিলেটে নানা জল্পনা

ড. ইউনূসের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্থগিত

পরিবেশ রক্ষা করেই সুন্দরবন এলাকায় উন্নয়ন হচ্ছে- সালমান এফ রহমান

বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অপরাধকরণ নিয়ে উদ্বেগ

শিশুর ওপর এ কেমন বর্বরতা!

ছাত্রলীগ থেকে অমিত সাহা বহিষ্কার

আবরারের ছবিতে ভিজেছে হাজারো চোখ

‘শিবির সন্দেহে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়’

মিজান ও অমিত সাহা জানায়, আবরার শিবির করে

খোকন-শ্যামলসহ ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

বিদেশি পর্যটকে মুখরিত হবে হাওর: প্রেসিডেন্ট