খালেদার জামিন আবেদন ফিরিয়ে দিলেন হাইকোর্ট

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৮
 জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ফিরিয়ে দিলেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি টেক ব্যাক করেন।
হাইকোর্ট বলেন, যেহেতু বিষয়টি এর আগে হাইকোর্টের একটি জ্যেষ্ঠ বেঞ্চে শুনানির সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেহেতু বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে নিয়ে যেতে পারেন। তখন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, বিষয়টি এর আগে হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে শুনানি হলেও আপনাদের শুনতে কোনো বাধা নেই। তখন আদালত আবেদনের শুনানিতে সাড়া না দিলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী বলেন, তাহলে জামিন আবেদনটি আমরা ফেরত নিচ্ছি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে খুরশীদ আলম খানও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু কোর্ট নিজেই সন্তুষ্ট হতে পরেননি। হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে যেতে পারেন।
সেই একই আবেদন আবার নতুন করে হাইকোর্ট শুনতে পারেন না। আদালত সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি ফেরত দিয়েছেন।
গত ৩রা সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ জামিন আবেদন করেন। গতকাল হাইকোর্টের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে কার্যতালিকায় জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য ছিল। ২০১৮ সালের ২৯শে অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক। রায়ে খালেদা জিয়াকে সাত বছর করে কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়। বিচারিক আদালতের দেয়া ওই সাজা বাতিল ও খালাস চেয়ে গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করেন খালেদা জিয়া। আপিলের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে দেয়া জরিমানার আদেশ স্থগিত করে বিচারিক আদালতে থাকা মামলাটির নথি তলব করেন হাইকোর্ট। দুই মাসের মধ্যে নথি পাঠাতে বলা হয়। বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি গত ২০শে জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩০শে জুলাই জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। পরদিন ৩১ জুলাই তা সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

জাফর আহমেদ

২০১৯-০৯-১১ ১১:৩৮:১১

বিএনপির তাদের নেত্রীর জন্য কিছুই করার ক্ষমতা রাখেন না। আর আদালতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এদেশের ছোট বাচ্চাদের ও জানা। তাই সরকার যদি কোন দিন তাদের উপর করুনা করে তাহলে তার জামিন হবে। না হয় না।

আপনার মতামত দিন

খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি গ্রেপ্তার

নজিরবিহীন ধর্মঘটে ক্রিকেটাররা

শামীম-খালেদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রেস কর্মচারী থেকে ক্যাসিনো মালিক

যে কারণে নিরাপত্তারক্ষীর নামেও অ্যাকাউন্ট

থমথমে ভোলা আল্টিমেটাম

ওমর ফারুক ও তার স্ত্রী সন্তানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

সিলেটে থানা হাজতে কলেজপড়ুয়া ৩ ভাইকে নির্যাতন, তোলপাড়

বছরে ৮৭ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য হিসেবে জমা হয়

অনুমতি না পাওয়ায় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ স্থগিত

আস্থাহীনতায় কর্মসংস্থান কমছে বীমাখাতে

‘খালেদার সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সাক্ষাৎ নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’

আত্মরক্ষার্থে ভোলায় গুলি চালিয়েছে পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেয়র আরিফ সদস্য সচিব বহাল

১৮ দিনে ১০০ কোটি ডলার রেমিটেন্স

পাঁচ বছরের কারাদণ্ড কারাগারে হারুন