মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র হালচাল

স্থবির হয়ে পড়েছে সাংগঠনিক কার্যক্রম

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৩৭
বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আফরোজা খান রিতা ও মইনুল ইসলাম খান শান্তর নেতৃত্বাধীন মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কমিটি বিলুপ্তি হওয়ার পর থেকেই জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক অবস্থা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। যাদের দিয়ে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে গত চার মাসে তারা দলীয় কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারেনি। এমনকি সর্বশেষ ১লা সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে ব্যর্থ হয়েছে। সারাদিন দলীয় অফিস তালাবদ্ধ ছিল। যার ফলে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তবে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান বলেছেন দলীয় সব কর্মসূচি পালন করার চেষ্টা করছি। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া কেন্দ্র থেকে তিন মাসের সময় বেঁধে দিয়ে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করে জেলা বিএনপি’র কাউন্সিল করার কথা থাকলেও সেটাও এ পর্যন্ত করতে পারেনি বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি । তবে ৬৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির সকল নেতার মতামত না নিয়ে এবং কোনো সাধারণ মিটিং ছাড়াই আহ্বায়কসহ গুটিকয়েক নেতা ঘরে বসে আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে আহ্বায়ক কমিটির ওইসব নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের ভেতর কানাঘুষা চলছে। তবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অনেক নেতার সঙ্গে কথা হলে তারা জানিয়েছে, কোনো পকেট কমিটি উপজেলা ও পৌরসভায় তারা হতে দেবে না। যদি ঘরে বসে কমিটি বাস্তবায়ন করে তাহলে দলের ভেতর বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে এমন শঙ্কা করছেন দলের বর্ষীয়ান নেতারা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে বিএনপি’র চেয়ারপারসনের বর্তমান উপদেষ্টা আফরোজা খান রিতাকে সভাপতি ও মইনুল ইসলাম শান্তকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা বিএনপি’র কমিটি করা হয়। সে সময় জেলায় বিএনপি নেতাকর্মীরা বেশ উজ্জীবিত ছিল। প্রকাশ্যে কোনো দলাদলি এবং গ্রুপিং রাজনীতি ছিল না। ্‌তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কেন্দ্র ঘোষিত দলীয় সব কর্মসূচিই পালন করেছে। এ ছাড়া গত ৬ বছরে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপদে আপদে পড়া নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন ্‌ওই কমিটির নেতৃবৃন্দ।

কিন্তু ২০১৯ সালের ১লা মে তৃণমূল থেকে দলকে আরো বেশি সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আফরোজা খান রিতা ও মইনুল ইসলাম খান শান্তর নেতৃত্বাধীন জেলা বিএনপি’র কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কেন্দ্র থেকে অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খানকে আহ্বায়ক এবং এস এ জিন্নাহ কবিরকে সদস্য সচিব করে ৬৩ সদস্যবিশিষ্ট জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেন। আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ চার মাস অতিবাহিত হলেও সেই কমিটির কোনো নেতাকে এ পর্যন্ত একসঙ্গে বসতে দেখা যায়নি এবং সাংগঠনিক কোনো কার্যক্রমে পাওয়া যায়নি।

শুধুমাত্র রোজার মাসে দায়সারা গোছের একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা হলেও আহ্বায়ক কমিটির আংশিক নেতাকে সেই পার্টিতে দেখা গেছে। তবে ইফতার পার্টি জেলা বিএনপি’র কার্যালয় কিংবা কোনো খোলা মাঠে-ময়দানে হয়নি। হয়েছে আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খানের বাসভবনে। এ নিয়ে তৃণমূলের নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির আন্দোলন তো দূরের কথা মানিকগঞ্জে এই প্রথম ১লা সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী করতে পারেনি আহ্বায়ক কমিটি। এ ছাড়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারামুক্তি দিবসও করতে পারেনি। এ ছাড়া কেন্দ্র থেকে এই আহ্বায়ক কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করে জেলা বিএনপি’র সম্মেলন করার নির্দেশনা থাকলেও আহ্বায়ক কমিটি এ পর্যন্ত তা করতে সক্ষম হয়নি।

তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৭ উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠনের তাগিদ দিয়েছে। যার ফলে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির হাতোগোনা কয়েকজন নেতা তড়িঘড়ি করে নিজেদের ইচ্ছে মতো পকেটের লোকজন দিয়ে ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা চালাচ্ছেন। এতে আহ্বায়ক কমিটির বেশ কয়েকজন যুগ্ম আহ্বায়ক ও বেশির ভাগ সদস্য ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন। নেতারা চাচ্ছেন জেলা বিএনপি‘র সাবেক কমিটির সিনিয়র নেতাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র সুন্দর একটি কমিটি উপহার দেবেন।

আহ্বায়ক কমিটির বর্তমান সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল বাতেন মিয়া বলেন, বর্তমান আহ্বায়ক তার নিজের হাতেগোনা কিছু সদস্যকে নিয়ে গোপনে উপজেলা ও পৌরসভার পকেট (আহ্বায়ক) কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা করছেন। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে যদি কোনো আহ্বায়ক কমিটি করা হয় তা আমরা কোনোভাবেই তা মেনে নেবো না। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গেও আহ্বায়ক কমিটি প্রসঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা তারা করে না বলে আমি খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি।

তিনি আরো বলেন, কমিটি গঠন করতে গেলে দলীয় কিছু সিদ্ধান্তের বিষয় রয়েছে। একটি সাধারণ মিটিং অন্তত করতে হবে। সে মিটিং তো দূরের কথা মুষ্টিমেয় কিছু নেতা ছাড়া সিংহভাগ নেতাকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি। ইচ্ছে মতো উপজেলা ও পৌরসভার আহ্বায়ক কমিটি দেয়া হলে দলের সাংগঠনিক অবস্থা আরো নাজুক হয়ে পড়বে। বেড়ে যাবে অভ্যন্তরীণ বিরোধ। তিনি বলেন, জেলা বিএনপির সাবেক কমিটির দক্ষ নেতৃত্বে প্রায় ৬ বছর আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দল পরিচালনা করেছি। দলীয় কোনো কর্মসূচি পালনে আমরা ব্যর্থ হয়নি। কিন্তু গেল চার মাসের আহ্বায়ক কমিটি দলীয় কোনো কর্মসূচিই পালন করতে পারেনি।
একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি বলতে চাই, তড়িঘড়ি না করে জেলা বিএনপির সাবেক কমিটির সিনিয়ন নেতাদের নিয়ে বর্তমান আহবায়ক কমিটির আগে বসতে হবে। তারপর সবার মতামতের ভিত্তিতে কীভাবে উপজেলা ও পৌরসভায় বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাহলেই ভাল কিছু সম্ভব।

জেলা বিএনপি’র বর্তমান আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিশ মাখনও আব্দুল বাতেনের সাথে সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, বিএনপির একটা গঠনতন্ত্র আছে। তাই ইচ্ছে মতো কেউ পকেট কমিটি গঠন করবে আর দলের নেতাকর্মীরা তা মেনে নেবে এটা ভুল। বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে আগে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দায়সারা কমিটি দিয়ে দলের কোনো উপকারে আসবে না। বরং দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমি সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি। কই তারা তো আমার সাথে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি নিয়ে কোন কথা বলেনি। আমার উপজেলায় মরগড়া আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলে আমরা তা কোনোক্রমেই মেনে নেবো না। তিনি বলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ চার মাসের উপরে হলেও সবাইকে একত্রিত করে একটি মিটিং পর্যন্ত তারা দিতে পারেনি।

জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এম এম ইকবাল হোসেন খান বলেন, বর্তমান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি এ পর্যন্ত কোনো সাধারণ সভা ডাকেনি। ইফতার অনুষ্ঠানে নামমাত্র একটা সভা দেখিয়েছিল কিন্তু সেটা অনুমোদন করা হয়নি। শুধু আমিই নই আমরা সবাই চাই আগে সাধারণ সভা ডাকা হবে তারপর উপজেলা ও পৌর কমিটি হবে। তার আগে কোনো কমিটিই তারা করতে পারবে না। তিনি আরো বলেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হয়েও সাড়ে তিন মাসে আমাকে এক দিনের জন্যও ডাকা হয়নি।
হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হান্নান মৃধা বলেন, লোকমুখে শুধু শুনে যাচ্ছি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি হবে। কিন্তু আমাকে এ পর্যন্ত কেউ কিছুই জানায়নি। চার মাস আগে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি হয়েছে সেখানে আমাকে সদস্য রাখা হয়েছে। কিন্ত একদিন ইফতার পার্টিতে ডাক পেলেও এরপর আর কখনোই আমাকে তারা ডাকেনি। কখন মিটিং হয়, কি হয় না কিছুই জানি না।

হান্নান মৃধা আরো বলেন, ২০১৩ সালে আফরোজা খান রিতাকে সভাপতি ও মইনুল ইসলাম খান শান্তকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা বিএনপির যে কমিটি হয়েছিল তা ছিল এ যাবদ কালের সবচেয়ে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী কমিটি। সে সময় আন্দোলন সংগ্রাম কর্মসূচিতে চাঙ্গা ছিল জেলা বিএনপি।

মানিকগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ যাদু বলেন, আমাদের বিএনপিতে একটি চক্র আছে যারা সর্বক্ষণই ষড়যন্ত্র করা ছাড়া কিছুই বোঝে না। ভালো কাজকে কখনোই সমর্থন করে না। জেলা বিএনপির সাবেক কমিটি যেভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন সে কাজেও তারা বাধাগ্রস্ত করার চক্রান্ত চালিয়েছিল। তারপর শত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তাদের দক্ষ নেতৃত্বে আমার গেল ৬ বছর আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম। ্‌ওই সময় কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচি আমরা পালন করেছি। কিন্তু আহ্বায়ক কমিটি গেল চার মাসে কোনো কর্মসূচি তো দূরের কথা আন্দোলনের কথা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে সাহস পায়নি। গুটিকয়েক সুবিধাবাদী নেতাকে আহ্বায়ক কমিটির বড় বড় পদ দিয়ে কমিটি গঠন করায় দলের কার্যক্রম দিন দিন পিছিয়ে যাচ্ছে। শুনেছি তারা পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে। আমি পৌর বিএনপির সভাপতি এবং জেলা বিএনপি বর্তমান আহবায়ক কমিটির সদস্য হলেও তারা আমাকে কোনো কিছু জানায়নি। পৌর বিএনপির কমিটি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনাও আমার সঙ্গে করেনি। তারা যদি ঘরে বসে কোনো পকেট কমিটি ঘোষণা করেন তাহলে সেটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেবো না।

সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বশির উদ্দিন আহমেদ ঠান্ডু বলেন, জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়কসহ কমিটির অধিকাংশই হচ্ছে আইনজীবী। তাদের দৌড় আদালত প্রাঙ্গণ পর্যন্ত। এছাড়া যাদের হাতে কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন তারা ঢাকায় বসবাস করায় আহবায়ক কমিটির কার্যকলাপে গতি পাচ্ছে না। এছাড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সকল নেতাদের মতামত না নিয়ে গুটিকয়েক নেতা তাদের মনগড়া উপজেলা ও পৌরসভায় পকেট কমিটি করার যে চক্রান্ত চালাচ্ছেন তা বাস্তবায়ন হলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

ঘিওর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মানিকুজ্জামান মানিক বলেন, শুনেছি আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। এ বিষয়ে সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি জানার অধিকার রাখি। কিন্ত জেলা বিএনপির আহবায়ক কিংবা কমিটির কোন সদস্য এ ব্যাপারে আমাকে কিছুই জানায়নি। জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান বলেন, রোজার মাসে ইফতার পার্টিতে আমরা আহবায়ক কমিটি একটি সাধারণ মিটিং করে উপজেলা ও পৌর সভার আহবায়ক কমিটির গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রেজ্যুলুশনে সিদ্ধান্ত হয়েছে আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়করা ও সদস্য সচিব মিলেই কমিটিগুলো করবে। তবে কমিটির ব্যাপারে মূল ক্ষমতা থাকবে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের হাতে। খুব তাড়াতাড়ি আমরা প্রত্যেক উপজেলা ও পৌরসভায় আহবায়ক কমিটি গঠন করবো। এরপর জেলায় সম্মেলনের কাজ শুরু করবো। জেলায় বিএনপির দলীয় কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সব কর্মসূচি পালন করার চেষ্টা করছি। কিন্তু পুলিশ বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বাড়ির কাজ বন্ধ রাখতে ক্রসফায়ারের হুমকি!

ডেঙ্গু: এবার ‘শক সিন্ড্রোমে’ মৃত্যু বেশি

বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশনা

অভিযান ইতিবাচক, এতদিন হয়নি কেন?

মতিঝিল যেন ক্যাসিনো পল্লী

২ কর্মকর্তা লাপাত্তা

খালেদের সহযোগী ও অর্থের সন্ধানে র‌্যাব

সমাধান সূত্র বের হবে আশাবাদী বৃটেন

বশেমুরবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত

বগুড়ায় ক্যাসিনোর আদলে জুয়ার আসর

সিলেটে ৯ মাসে ৫৮৮ চিহ্নিত জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের ক্লাবগুলোতেও ক্যাসিনো কয়েন-কিরিচ

রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ‘উপবন এক্সপ্রেস’-এর দুর্ঘটনা

নিরাপত্তা চেয়ে সিলেটে ৫৬ সাংবাদিকের জিডি

সরকারি নির্দেশে চীনজুড়ে চলছে ইসলাম দমন

সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশন শুরু কার্যতালিকায় নেই কাশ্মীর, রোহিঙ্গা ইস্যু