ওএসডি হলেন জামালপুরের সেই ডিসি

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৫ আগস্ট ২০১৯, রোববার, ১:৩১
জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। রোববার তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

এক নারী অফিস সহকারির সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অন্যদিকে জামালপুরের নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস)  মোহাম্মদ এনামুল হক। অপর আদেশে তাকে এই নিয়োগ দেয়া হয়।

সম্প্রতি আহমেদ কবীরের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়।

গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে দেশব্যাপী সমালোচনার সৃষ্টি হয়। জামালপুরসহ সারাদেশের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Hasan

২০১৯-০৮-২৫ ১৫:০৮:২২

CC Camera on এত বোকা অফিসার! মনে হচ্ছে চিরকালই বিসিএস এর প্রশ্ন ফাস হতো। এটিকে স্বাভাবিক বলে ক্ষমা করে দেয়া দরকার, কারণ হয়তো সরল বিশ্বাসে করেছে। আর মাত্রাটাও সহনীয়।

আপনার মতামত দিন

ছাত্রদলের প্রার্থী ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে কথা বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান

বড় ঋণে ব্যাংক চেয়ারম্যানকেও ‘গ্যারান্টার’ করার নিয়ম হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

‘জাহাঙ্গীরনগরের মতো ঘটনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও হচ্ছে’

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ন্যাশনাল ডায়ালগ শুরু

পদ্মাসেতু উদ্বোধনের দিনই ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী

পিএসজির জন্য সুখবর, নিষেধাজ্ঞা কমলো নেইমারের

প্রেস কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল: এলআরএফ

ঢাকায় বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী

‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আফগান প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী র‌্যালিতে বোমা হামলায় নিহত ২৪

চিকিৎসকের অবহেলা তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ

ফ্রান্স গুগলকে ৫৫ কোটি ডলার জরিমানা করল

সেই রতনকে শেকলমুক্ত করলেন ইউএনও

ভারত সফরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল

দোষ পেলে জাবি ভিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কাদের

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্ষণ করা হয়েছে আমাকে