১০ বছরে বিএসএফে’র হাতে ২৯৪ বাংলাদেশী নিহত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন

সংসদ রিপোর্টার | ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭:২২ | সর্বশেষ আপডেট: ৭:২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গত ১০ বছরে সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ২৯৪ জন বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছেন। সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বিজিবি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে এবং সরকার এ ব্যাপারে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের প্রশ্নের লিখিত জবাব দিতে গিয়ে মন্ত্রী আরও জানান, সীমান্তে হত্যাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ব্যাপারে বিএসএফও একমত পোষণ করে আসছে।

বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী নাগরিক হত্যার সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় অনেকটা কমে এসেছে। সরকারি দলের সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিলের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা/আহত/আটক ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিনিয়ত বিজিবি এবং বিএসএফ এর বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিতভাবে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সকল পতাকা বৈঠকে সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি সরকার ও কূটনৈতিক পর্যায়েও ব্যবস্থা নেয়া হয়।

সরকার দলীয় অপর সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০০৬ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৯ সালের ৩০শে জুন পর্যন্ত গত সাড়ে ১৪ বছরে কর্তব্য পালনরত অবস্থায় ১ হাজার ৫০ পুলিশ নিহত ও ৪ হাজার ৪৪০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৩-১৪ (জুন পর্যন্ত) বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের দুর্বৃত্ত/সন্ত্রাসী/ জঙ্গীদের হামলায় সর্বাধিক বিভিন্ন পদবীর ২৮ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
সংসদ সদস্য মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের নীতি হলো জিরো টলারেন্স। সেখানে পুরুষ হোক বা নারী হোক তাকে নির্মূল করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ সদা তৎপর রয়েছে।

বর্তমান সরকার জঙ্গী দমনে বিশেষায়িত এই সংস্থাসমূহে দক্ষ জনবল ও আধুনিকায়নের জন্য নানা ধরণের সুযোগ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। তিনি জানান, জঙ্গীবাদ দমনে পুলিশের একটি আদালা ইউনিট এন্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও বিএমপিতেও কাউন্টার টেরোরিজম এ্যান্ড ক্রাইম গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ইউনিটে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ দমনে স্পেশাল টাস্ক গ্রুপ (এসটিজি) গঠন করা হয়েছে। জঙ্গীবাদ দমনে গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

খালেদার মুক্তির দাবিতে বিএনপির মশাল মিছিল

হাইকোর্টে স্থগিত ড. ইউনূসের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

‘দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ করা উচিত’

মেঘনায় পুলিশ-জেলে সংঘর্ষ, আহত ৬

স্ত্রীর চাকরি করছেন স্বামী

বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে, তোলপাড়

রোহিঙ্গা যুবককে গলা কেটে হত্যা

কোটচাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন এএসআই

বাবরি মসজিদকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় নিরাপত্তা জোরদার

ইরান ও সৌদি আরবকে জোড়া লাগাতে পারবেন ইমরান!

ছাত্রলীগ থেকে অমিত সাহা বহিষ্কার

‘শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা’

চীনকে বিভক্ত করার চেষ্টা করলে হাড় গুঁড়ো করে দেবো

‘যার জমি আছে, ঘর নেই’ প্রকল্পে নয়ছয়

কাজ না করেই ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ