শিশু সায়মা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ৭ জুলাই ২০১৯, রোববার, ৩:৪৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪৯
৭ বছর বয়সী সামিয়া আফরিন সায়মাকে ছাদ ঘুরিয়ে দেখানোর কথা বলে হারুনর রশীদ। এরপর আট তলার লিফট থেকে ছাদে নিয়ে যায় সায়মাকে। সেখানে নবনির্মিত নবম তলার ফ্ল্যাটে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সে। ধর্ষণের পর নিস্তেজ দেহ পড়ে থাকে। মৃত ভেবে সায়মার গলায় রশি দিয়ে টেনে রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যায় হারুন।

আজ রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই লোমহর্ষক বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের স্কুলছাত্রী ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় তিনি আরো বলেন, এ ধরণের ঘটনা অত্যন্ত কুরুচির পরিচায়ক। মানবতাবিরোধী অপরাধ। এ ধরনের অপরাধীরা সাধারণত ধর্ষণের পর যখন ভাবে এ অপকর্মের কারণে সে বাঁচতে পারবে না। তখনই হত্যার মতো ঘটনা ঘটায়।
এ ক্ষেত্রেও তাই ঘটিয়েছে ঘাতক হারুন।

ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন মাকে বলে শিশু সায়মা আট তলায় যায়। সেখানে ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের একটি বাচ্চা আছে তার সঙ্গে খেলা করতে। সেখানে গেলে পারভেজের স্ত্রী জানায় তার মেয়ে ঘুমাচ্ছে। সেখান থেকে বাসায় ফেরার উদ্দেশে লিফটে ওঠে সায়মা। লিফটেই সায়মার সঙ্গে দেখা হয় পারভেজের খালাতো ভাই হারুনের। হারুন সায়মাকে লিফট থেকে ছাদ দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে অত্যন্ত পাশবিকভাবে সায়মাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সায়মা চিৎকার করলে মুখ চেপে ধর্ষণ করে। সায়মাকে নিস্তেজ দেখে গলায় রশি লাগিয়ে টেনে নিয়ে যায় রান্নাঘরে। সেখানে সিঙ্কের নিচে রাখে। এরপর পারভেজের বাসায় না ফিরে পালিয়ে যায় হারুন। হারুন পারভেজের খালাতো ভাই। পারভেজের বাসায় দুই মাস ধরে থেকে তার রঙের দোকানে কাজ করে আসছিল।

আজ দুপুরে নারায়ণগঞ্জেরে সোনারগাঁও থেকে হারুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আব্দুল বাতেন আরও বলেন, হারুনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজই আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে শিশু সায়মার খোঁজ পাচ্ছিলেন না তার পরিবার। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভবনটির নয়তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটের ভেতরে সায়মার মৃত দেহ খুঁজে পান তারা। সায়মার গলা রশি দিয়ে বাঁধা ও মুখ ছিলো রক্তাক্ত। এরপর রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ভবনের ছয়তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত সায়মা। বাবা আব্দুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা। ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে পড়ত সে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Salimullah al mamun

২০১৯-০৭-০৭ ১০:৫৯:২৪

Sagar runi mitu tanu dea shuru. Ashober bisar na hoyai saima der karun porinity. Shesh kotai allah valo janen. Shober ma bone meyeke nijerai jothashombob hefajote rakun. Allah jalimer julum theke shobike hefjote karun.

আপনার মতামত দিন

খালেদার মুক্তির দাবিতে বিএনপির মশাল মিছিল

হাইকোর্টে স্থগিত ড. ইউনূসের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

‘দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ করা উচিত’

মেঘনায় পুলিশ-জেলে সংঘর্ষ, আহত ৬

স্ত্রীর চাকরি করছেন স্বামী

বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে, তোলপাড়

রোহিঙ্গা যুবককে গলা কেটে হত্যা

কোটচাঁদপুরে বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন এএসআই

বাবরি মসজিদকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় নিরাপত্তা জোরদার

ইরান ও সৌদি আরবকে জোড়া লাগাতে পারবেন ইমরান!

ছাত্রলীগ থেকে অমিত সাহা বহিষ্কার

‘শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা’

চীনকে বিভক্ত করার চেষ্টা করলে হাড় গুঁড়ো করে দেবো

‘যার জমি আছে, ঘর নেই’ প্রকল্পে নয়ছয়

কাজ না করেই ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ