পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা হচ্ছে: বিজেপি

দেশ বিদেশ

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৭
পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার রাজ্যকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জানিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যে থাকার জায়গা দিয়েছে মমতার সরকার। মঙ্গলবার লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদজ্ঞাপক ভাষণে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সভাপতি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে অরাজকতা চলছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। গণতন্ত্র বিপন্ন। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী হতে। মমতা বাংলা ও বাংলাদেশকে এক করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। তৈরি করতে চাইছেন পশ্চিম বাংলাদেশ।
লোকসভায় দাঁড়িয়ে সাংসদ দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি আরো বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের কাছ থেকে জয় বাংলা স্লোগান আমদানি করেছেন। সেখানে জয় শ্রীরাম স্লোগান আমাদের নিজস্ব। তিনি আরো বলেছেন, জয় শ্রীরাম স্লোগানের মধ্যে রাজনীতির কোনো ব্যাপার নেই। দিলীপ ঘোষ আরো অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে লোকসভা নির্বাচনে হিংসা হয়েছে। এখন তারা বলছে পশ্চিমবঙ্গে যেতে হলে বাংলা শিখতে হবে। আমরা এখন এই সোনার বাংলা প্রত্যক্ষ করছি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র লোকসভায় এর উত্তরে বলেছেন, ২০১২ সাল থেকে বিজেপি ভারতে আতঙ্ক ছড়িয়ে চলেছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা জরুরি অবস্থার থেকেও খারাপ। বাংলায় অরাজকতা চলছে। ওখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই খারাপ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য না পেলে বিরোধীরা ওখানে বাঁচতে পারবেন না। উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যমের অধিকার খর্বসহ একাধিক ঘটনার কোলাজ। প্রধানমন্ত্রী নিজের কণ্ঠে সেই সব ছবির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বলেছেন, জরুরিকালীন সময়ে নির্মম অত্যাচার চলেছে। এর পাল্টা টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, গত পাঁচ বছর দেশে ‘সুপার ইমার্জেন্সি’ চলেছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাঁচানোর জন্য লড়াই চালাতে হবে। এদিন লোকসভাতেও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের মুখে এরই প্রতিধ্বনি শোনা গেছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ডেঙ্গুজ্বরে হবিগঞ্জ সিভিল সার্জনের মৃত্যু

ওয়াশিংটনে ইমরান খান যা বললেন

ট্যাংকার জব্দ: ইরান-বৃটেন উত্তেজনা অব্যাহত

‘টিভি চ্যানেলগুলো নাচের শিল্পীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না’

বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে

নৈরাজ্য

১৯ জনকে গণপিটুনি নিহত ৩

মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি

মিন্নির জামিন মেলেনি

পুঁজিবাজারে একদিনেই ৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন হাওয়া

মশায় অতিষ্ঠ মানুষ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আতঙ্ক

অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে অচল ঢাবি

যে কারণে সিলেটে মহিলা কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলা

৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ও পানিবিহীন শাহজালাল বিমানবন্দর

সাত দিনের মধ্যে প্রথম কিস্তি পরিশোধের নির্দেশ