ভারতের বিপক্ষে হেরে হতাশ সরফরাজ

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৭ জুন ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:০২
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে এবারো হারলো পাকিস্তান। এনিয়ে বিশ্বকাপে সাতবারের দেখায় সাতবারই হারলো পাকিস্তান। রোববার ভারতের বিপক্ষে বৃষ্টি আইনে ৮৯ রানে হার দেখে পাকিস্তান। ম্যাচের পর সরফরাজ বলেন, ‘আমরা এক উইকেটে ১১৭ রান করার পর ২৪-২৭ ওভারের মধ্যে মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে ৪ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়েছি। সেটাই ছিল আমাদের পরাজয়ের টার্নিং পয়েন্ট।’
ভারতের বিপক্ষে ৩৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরতেই ইমাম-উল-হককে হারিয়ে চাপে পরে পাকিস্তান। পরে চাপটা সমলে নেন ফখর জামান ও বাবর আজম। এই দুই জনে মিলে ১০৪ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু হঠাৎই পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে ধস নামে।
স্কোর বোর্ডে ১১৭/১ থেকে ১২৯/৫ হয়ে যায়। নিজেদের ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হলেও শেষপর্যন্ত এমন হারকে হতাশজনক বলেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এটা নিঃসন্দেহে খুবই হতাশার ছিল এবং মনোবল ভাঙ্গার মতো একটি পরাজয়। আমরা খুব ভালো করছিলাম, বিশেষ করে যদি আমাদের ব্যাটিংয়ের কথা বলেন। এক উইকেট হারানোর পর বাবর ও ফখর জামানের জুটি দুর্দান্ত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দ্রুত উইকেট হারানোয় আমাদের হারতে হয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং কোনো বিভাগেই দলীয়ভাবে ভালো করতে পারিনি আমরা।’
প্রশ্ন উঠেছিল টসে জিতে ফিল্ডিং নেয়া নিয়েও। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ টস নিয়ে বলেন, ‘আমরা টস জিতে যে পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করতে চেয়েছি সেটা পারিনি। তাছাড়া রোহিত খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল রোহিতকে দ্রুত আউট করার। কিন্তু আমরা সেটা করতে পারিনি। পরাজয়ে এটাও একটা বড় কারণ।’
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেও ব্যর্থ পাকিস্তানের বোলিং লাইন আপ। এক মাত্র আমির ছাড়া আর কেউই সফল হতে পারেননি। বোলিং নিয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক বলেন, ‘আর্দ্রতার কারণে আমরা দুই স্পিনারকে বেছে নিয়েছি। কিন্তু আমাদের চেয়ে ভারতীয়রা ব্যাটিং এবং বোলিং দুই বিভাগেই সফল হয়েছে।’



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ওয়াশিংটনে ইমরান খান যা বললেন

ট্যাংকার জব্দ: ইরান-বৃটেন উত্তেজনা অব্যাহত

‘টিভি চ্যানেলগুলো নাচের শিল্পীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না’

বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে

নৈরাজ্য

১৯ জনকে গণপিটুনি নিহত ৩

মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি

মিন্নির জামিন মেলেনি

পুঁজিবাজারে একদিনেই ৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন হাওয়া

মশায় অতিষ্ঠ মানুষ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আতঙ্ক

অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে অচল ঢাবি

যে কারণে সিলেটে মহিলা কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলা

৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ও পানিবিহীন শাহজালাল বিমানবন্দর

সাত দিনের মধ্যে প্রথম কিস্তি পরিশোধের নির্দেশ

এ যেন খোঁড়াখুঁড়ির নগরী