‘মোবাইল ফোনে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব আত্মঘাতী’

বিশ্বজমিন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ জুন ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০০
মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর শুল্ক বৃদ্ধিকে আত্মঘাতী বলে অভিহিত করেছে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এএমটিওবি)। ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোবাইল ফোনের সব রকম সেবায় শতকরা ৫ ভাগ সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সমালোচনা করেছে ওই সংগঠন। শনিবার তারা সরকারের এ সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী বলে আখ্যায়িত করে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় তিনি মোবাইল ফোনের সব রকম সেবার ওপর বিদ্যমান শতকরা ৫ ভাগ শুল্ক বাড়িয়ে শতকরা ১০ ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এএমটিওবি’র সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ বলেছেন, ইতিমধ্যেই দেশের এক কোটি ৬০ লাখ ৫ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী শতকরা ১৫ ভাগ ভ্যাট দিচ্ছেন। সঙ্গে ফোনকল ও এসএমএস খাতে শতকরা একভাগ সারচার্জ দিচ্ছেন এবং ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহারে শতকরা ৭.৫ ভাগ ভ্যাট দিচ্ছেন।
এর ওপর সরকারের ওই শুল্ক বাড়ানোর ওই সিদ্ধান্তে এসব মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর ওপর বোঝা বাড়বে।  
নতুন করে শুল্ক আরোপের ব্যাপারে এএমটিওবি বিবৃতিতে বলেছে, এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে আমরা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছি এবং আমাদের হৃদয় পুরোপুরি ভেঙে গেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের দর্শনকে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে টেলিকম শিল্প যে উল্লেখযোগ অবদান রেখে চলেছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তাকে খাটো করে দেখা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এতে আমরা গভীরভাবে বেদনাহত। ওদিকে জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপনের পর পরই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওই রাতেই নতুন সম্পূরক শুল্ক বাস্তবায়নের জন্য সব মোবাইল অপারেটরদের কাছে রেগুলেটরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে। এএমটিওবি  বলেছে, ব্যাপকভাবে স্বীকৃত বিষয় হলো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের টেলিকম সেক্টরে। এই ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়ে দেয়ায় ক্ষতিকর প্রভাব যা হবে তা হলো, বছরের পর বছর চারটি অপারেটরের মধ্যে তিনটি লোকসান দিতে থাকবে।  উপরন্ত প্রস্তাবিত বাজেটে সিম-এর ওপর ট্যাক্স ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে নতুন সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমে যাবে। মোবাইল অপারেটররা সর্বনিম্ন যে আয়কর দিতো তা এখন শতকরা ২ ভাগে দাঁড়াবে, যা শতকরা ০.৭৫ ভাগের চেয়ে অনেক বেশি। এএমটিওবি বলেছে, এমন ট্যাক্স আরোপের প্রস্তাবনায় আমরা ভীষণ হতাশাগ্রস্ত। এটা ব্যাপকভাবে স্বীকার করে নেয়া হয় যে, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের শিখরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরদের বড় রকমের বিনিয়োগ আছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং এই শিল্পের পক্ষে সরকার তার প্রস্তাবনা ফিরিয়ে নেবে।  ৫ জি, ইন্টারনেট থিংস, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সহ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বড় রকমের বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে টেলিকম শিল্পকে দেশের স্বার্থের উপযোগী করা প্রয়োজন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হচ্ছে

ব্যবস্থা চান বিশিষ্টজনরা

কেলেঙ্কারি-জালিয়াতিতে ডুবছে ২২ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

ত্রাণ-আশ্রয়ের জন্য ছুটছে মানুষ

ডেঙ্গু রোগীদের ৮০ ভাগই শিশু

ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

‘জনগণকে নিয়ে গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হবে’

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিএসটিআই পরিচালকের অপসারণ দাবি

ছেলেধরা সন্দেহে তিন জনকে পিটিয়ে হত্যা

রংপুর-৩ সদর শূন্য আসন নিয়ে আলোচনার ঝড়

পশ্চিমবঙ্গেও চালু হলো এনআরসি!

পর্নোগ্রাফি ও ব্ল্যাকমেইল নেশা সিলেটের এহিয়ার

গণপিটুনিতে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে

রাঘববোয়ালদের নিয়ে কাজ করতে সমস্যা হয়

মাদ্রাসাছাত্রীকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা

ভারতের কৌশল ধ্বংস করছে সার্ককে