জনবান্ধব-আওয়ামী লীগ

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ জুন ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০৪
নতুন অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে জনবান্ধব, কল্যাণমূলক আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,  এ বাজেট দেশের আর্থ সামাজিক বিকাশ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করবে। এ বাজেট মৌলিক সামাজিক দর্শনের একটি বাজেট। জনগণের কল্যাণের বাজেট। এই বাজেট টেকসই অর্থনীতিকে আরো মজবুত করবে।

ওবায়দুল কাদের শনিবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাজেট পরবর্তী দলের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০১৯-’২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত, ভারসাম্যমূলক, গণকল্যাণমুখী, যুগোপযোগী ও দলের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাজেট। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত দেশ গঠনের সব উদ্যোগ ও লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর বাজেট এটি। ২০২০ সাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, এ বাজেট বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বাজেট। ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বছরের বাজেটও দলের ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিফলন ঘটেছে। এ বাজেটের বিস্তৃতি ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বাজেটে বেসরকারী খাতকে পেনশন সুবিধার আওতায় আনার কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে এবং প্রবাসী শ্রমিকদের আয়ের ওপর প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ বাজেট শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বাজেট নয়, এটি একটি মানবিক বাজেট। প্রতিবন্ধীদের ভাতা দেয়ার জন্য বরাদ্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বাজেট টেকসই অর্থনীতিকে মজবুত করার বাজেট।

তিনি বলেন, দেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির নিরব বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে  তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে বাজেটে। আওয়ামী লীগ দেশের ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়, দেশের সম্পদ জনকল্যাণে ব্যয় হয়। আর সেজন্যই দেশ উন্নয়নের সকল সূচকে কাঙ্খিত উন্নতি সাধন করতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্বে দেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। তাঁর নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মের জন্য আমরা একটি উন্নত দেশ গড়ে যেতে চাই।

বাজেট নিয়ে বিএনপি নেতাদের নেতিবাচক সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা (বিএনপি) এ বছরের বাজেট ঘোষণার পরেও তাদের চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মিথ্যাচার ও অপপ্রচার শুরু করেছে। তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বাজেটের বিস্তৃতি অনুধাবনের ক্ষমতা নেই।

তিনি বলেন, যারা প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন, তাদের এ ধরনের মন্তব্য বিদ্বেষ প্রসূত মনোভাবেরই পরিচায়ক। গত দশ বছরই তারা বাজেট নিয়ে এ ধরনের মনোভাব প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রতিটি বাজেট দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান  গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি উপস্থিত ছিলেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ruhul Islam

২০১৯-০৬-১৫ ১২:২৫:৩৪

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় জনবান্ধব বলতে কি বুঝাতে চেয়েছেন ? এই "জন" কারা ?

আপনার মতামত দিন

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হচ্ছে

ব্যবস্থা চান বিশিষ্টজনরা

কেলেঙ্কারি-জালিয়াতিতে ডুবছে ২২ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

ত্রাণ-আশ্রয়ের জন্য ছুটছে মানুষ

ডেঙ্গু রোগীদের ৮০ ভাগই শিশু

ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

‘জনগণকে নিয়ে গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হবে’

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিএসটিআই পরিচালকের অপসারণ দাবি

ছেলেধরা সন্দেহে তিন জনকে পিটিয়ে হত্যা

রংপুর-৩ সদর শূন্য আসন নিয়ে আলোচনার ঝড়

পশ্চিমবঙ্গেও চালু হলো এনআরসি!

পর্নোগ্রাফি ও ব্ল্যাকমেইল নেশা সিলেটের এহিয়ার

গণপিটুনিতে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে

রাঘববোয়ালদের নিয়ে কাজ করতে সমস্যা হয়

মাদ্রাসাছাত্রীকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা

ভারতের কৌশল ধ্বংস করছে সার্ককে