সকল যানবাহনে অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা কেন নয়: হাইকোর্ট

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৪
রাস্তার সকল যানবাহনে (প্রাইভেট এবং পাবলিক) অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ২০১৭ সালের ২রা মার্চ বিআরটিএ’র (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ) জারি করা পরিপত্রের নির্দেশনা ও মটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর ৬০ (৩) ধারা অনুযায়ী সকল যানবাহনে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে কেন নির্দেশ দেয়া হবেনা তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জানমালরক্ষায় গণপরিবহনসহ যানবাহনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। গতকাল বিচারপতি এফআর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের

(মহাপরিদর্শক)আইজিপি, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান, ফায়ার সর্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সৈয়দ মিছবাহুল আনোয়ার এবং তার সঙ্গে ছিলেন মো. সোহরাব সরকার ও মো. জামাল উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।
এর আগে আইনজীবী আবুল বারকাত মো. সাজ্জাদ আল বারি সোহেল বিভিন্ন সময়ে যানবহানের হিটের কারণে গণ পরিবহনে আগুন ধরে যায় এবং গাড়িতে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা থাকলেও সেই বিধানের কার্যকর না থাকায় সংক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন। তিনি জানান, ২৯শে মার্চ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার কাছের রাস্তায় নুর -এ মক্কা নামের একটি বাসে আগুন লাগে। এর আগে বনানী এলাকায় ২০১৮ সালের ১০ই ফেব্রুয়ারি অপর একটি বাসে আগুন লাগে। চলতি বছরের ২০শে ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডিতে গ্যাস লাইন ছিদ্র হয়ে সাত নম্বর বাসে আগুন লাগে, এতে আটজন আহত হন।এ ছাড়া শাহবাগে ২০১৭ সালের ২০শে ডিসেম্বর। ২০১৮ সালের ৫ই জানুয়ারি ফার্মগেট এলাকায় রাইদা পরিবহনে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে আগুন লাগে। এতে ১২ জন আহত হয়। এ ছাড়া সাভারে ২০১৭ সালের ২৪শে জুন বিএরটিসির ডবলডেকার বাসে আগুন ধরে। এতে ১৫জন আহত হয়।এসব ঘটনা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত এরকম আগুনের দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। আইনজীবী জানান, প্রায় আড়াই লাখ সিএনজি চালিত যানবাহনের গ্যাসের সিলিন্ডার কোন ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই অবাধে রাস্তায় চলাচল করছে। এসব যান বাহনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণেও অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটছে। এর আগে ২০১৭ সালের ২ মার্চ বাস মিনিবাসের রুটপার্মিট অনুমোদনের ক্ষেত্রে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী আগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা রাখার জন্য নির্দেশনা জারি করেন বিআরটিএ কতৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত এ নোটিফিকেশনের কোন কার্যকারিতা নেই।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ছাত্রদলের উপর হামলায় ফখরুলের নিন্দা

ট্রাম্পের সঙ্গে ইমরান খানের বৈঠক আজ

এবার ময়লা ছুঁড়ার জবাব গোলে দিলেন নেইমার

নায়িকার সঙ্গে আড্ডা

ইয়াবাসহ আওয়ামী লীগ নেতার পুত্র গ্রেপ্তার

‘অভিযান নিয়ে যেন আতঙ্ক না ছড়ায়’

‘অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছে, অনেককেই নজরদারিতে রাখা হয়েছে’

মোদির বিরুদ্ধে পররাষ্ট্রনীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ

‘নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আটক দু’ভাই জেএমবি’র সদস্য’

ম্যাসেজ পার্লারে আলো-আঁধারের আড়ালে

ছবিতে এমি অ্যাওয়ার্ডস

শামীমের টাকার ভাগ পেতেন প্রভাবশালী কয়েক নেতা

বন্ধ হয়ে গেল ১৭৮ বছরের প্রতিষ্ঠান থমাস কুক

যুক্তরাষ্ট্রে বিরল সংবর্ধনায় একে অন্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি-ট্রাম্প

ভারতে দেহব্যবসায় বাধ্য করানো ৮ বাংলাদেশী যুবতীকে উদ্ধার

বাংলাদেশ সফরে ভারতীয় নৌবাহিনী প্রধান