কেন্দ্রে ঠাঁই হয়নি চট্টগ্রামের নেতাদের ক্ষোভ ও হতাশা

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১৬ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার
ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই হয়নি চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মীর। তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ থেকে একজন নারী নেত্রী স্থান পেয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে। চট্টগ্রামকে এভাবে বঞ্চিত করায় অনেকেই ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন। সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সমপাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এ কমিটি দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ঘোষিত কমিটিতে দুইজন সহসভাপতি, একজন সাংগঠনিক সমপাদক, একজন উপ-প্রচার সমপাদক, একজন ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক উপ-সমপাদক পদে মোট ৫ জন চট্টগ্রাম থেকে স্থান পেয়েছেন।

এরমধ্যে ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক উপ-সমপাদক ফৌজিয়া নিজাম তামান্না ছাড়া বাকি ৪ জনই চট্টগ্রামের বাইরে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তামান্না চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ছাত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিষয়ক উপ-সমপাদক পদে ছিলেন। চট্টগ্রামের অন্য চারজন হলেন, সহসভাপতি মঞ্জুর মোরশেদ অসীম, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির, সাংগঠনিক সমপাদক সাজ্জাদ হোসেন ও উপ প্রচার সমপাদক রায়হান আহাদ চৌধুরী।
এরা কেউই চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের রাজনীতি কখনো করেননি বলে জানা যায়। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসমপাদক হাবিবুর রহমান তারেক বলেন, চট্টগ্রাম সবদিকে সবক্ষেত্রে বঞ্চিত। সবসময়ই চট্টগ্রাম বৈষম্যের শিকার হয়। ছাত্রলীগের কমিটিতে সেটা আবারো প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কমিটিতে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর-দক্ষিণ জেলা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ না থাকাটা একটা স্বৈরাচারী বিষয়। চট্টগ্রামে অনেক যোগ্য নেতা আছেন। কিন্তু নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলমগীর টিপু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চবি ছাত্রলীগ সবসময়ই মৌলবাদ বিরোধী ও ছাত্রদের অধিকার আদায়ে আন্দোলন করেছে। কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় চবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যেখানে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রলীগ নেতার স্লোগান ছিল ছাত্রলীগের গালে গালে, জুতা মার তালে তালে। সে তারাই এখন কেন্দ্রীয় কমিটির পদে। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি কেন্দ্রীয় কমিটি নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি? চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে চট্টগ্রামের কারো না থাকায় আমরা কিছুটা অসন্তুষ্ট। তবে নেত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেখানে কারো দ্বিমত থাকার কথা নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু বলেন, আমরা যেহেতু একটি কমিটিতে আছি তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে এটা ঠিক আমরা আশা করেছিলাম চট্টগ্রাম থেকে অনেককে কেন্দ্রীয় কমিটির পদে দেখব। কারণ চট্টগ্রামে অনেক যোগ্য নেতা ছিল। তবুও আমরা শেষ পর্যন্ত নেত্রীর উপর আস্থা রাখতে চাই।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

শ্রীলঙ্কায় যাচ্ছেন না মাশরাফি

পানিবন্দি মানুষ মানবেতর জীবন

‘তুইতোকারিকে’ কেন্দ্র করে চার খুন

ঢাকায় বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয় কাবু মধ্যবিত্ত

আদালতে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ডেঙ্গু রোগীদের ভিড়

ভয়ঙ্কর মাদক আইস ছড়িয়ে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক চক্র

দুই মামলা, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ পুলিশের

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের ছুটি বাতিল

দুর্নীতিকে দুর্নীতি হিসেবেই দেখব- ওবায়দুল কাদের

সিলেটে ধর্ষিতার স্বামীর ফরিয়াদ

কাঁচাবাজারে বন্যার প্রভাব

কিশোর গ্যাংয়ের অন্তর্দ্বন্দ্বে খুন

পাকুন্দিয়ায় নিহত স্কুলছাত্রীর ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত

টিআইবি’র উদ্বেগ প্রত্যাহারের আহ্বান

ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল সিলেটে