ক্ষমতার উৎস হল জনগণ, আর কেউ না: ড. কামাল

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, ৮:২৩
দেশে আজ স্বৈরশাসনের চিত্র দেখা গেলে নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে গণফোরামের বিশেষ কাউন্সিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। দীর্ঘ আট বছর পর আজ গণফোরামের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। ড. কামাল হোসেন বলেন, আমরা আজকে বলি যে, স্বৈরশাসনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। কিন্তু নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা দেখেছি শাসকগোষ্ঠী অনেক সময় স্বৈরতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হয়, স্বৈরাচার হয়ে যায়। কিন্তু এদেশে মানুষ কখনো স্বৈরতন্ত্রকে মেনে নেয়নি এবং নেবে না। এদেশের মালিক আপনারা।
ক্ষমতার উৎস হল জনগণ, আর কেউ না। সুতরাং আপনাদের দেখতে হবে, যারা ক্ষমতায় তারা কি দেশের স্বার্থে না কি নিজের স্বার্থে কাজ করছেন। না কি অন্য কিছু করছেন। উল্টো কিছু করলে সংগঠিত হয়ে তাদেরকে থামাতে হবে। কারণ জনগণ গণতন্ত্রের পাহারাদার। আর এই নাগরিকরা যদি দায়িত্ব পালন না করে তাহলে গণতন্ত্র স্বৈরতন্ত্রে পরিণত হতে পারে। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি জনগণের হয়ে যে রায়টা দিলেন, আমি মনে করি সেটা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর তিনি ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে গেলেন।

পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে গণফোরাম সভাপতি বলেন, পুলিশ তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করলে দেশে গণতন্ত্র ও সংবিধানের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, পুলিশ কিন্তু দেশের মালিক না, দেশের সেবক। সংবিধান মেনে তারা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। আপনারা সতর্ক থাকবেন পুলিশ যেনো তার ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কোনো অন্যায়-অত্যাচার করতে না পারে। ড. কামাল বলেন, জনগণকে অবাধ ও নিরপেক্ষ বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে হবে। অর্থের বিনিময়ে ভোট বিক্রি করা অন্যায়। জনগণকে এসব ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

কাউন্সিলের শুরুতেই শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দায় আফ্রিক। দলের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদের পরিচালনায় দলের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম সদস্য মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এসএম আলতাফ হোসেন, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, রেজা কিবরিয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আ ম সা আমিন, সিরাজুল হক, আওম শফিকউল্লাহ,  শফিকুর রহমান খান, ফরিদা  ইয়াছমীন, এসএম খালেকুজ্জামান, শান্তিপদ ঘোষ, মোশতাক হোসেন উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে কামাল হোসেন পরের বছর গণফোরাম গঠন করেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে দলের সর্বশেষ কাউন্সিল হয়।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ekjon Muslim

২০১৯-০৪-২৬ ০৯:৫৫:১৯

﴿٥٧﴾ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব তো শুধু আল্লাহর। তিনি শুধু সত্যই বর্ণনা করেন। তিনিই (সত্য-মিথ্যার) চূড়ান্ত বিচারক।

জাফর আহমেদ

২০১৯-০৪-২৬ ০৯:২৬:৪০

ডঃ কামাল হোসেন সাহেবের ভুমিকা রহস্যময়। তার কথা আর কাজের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

SM.Rafiqul Islam

২০১৯-০৪-২৬ ০৮:১৯:৩৭

The role of Dr.Kamal Hossain in National Politics is very confusing.

আপনার মতামত দিন