১০ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ এপ্রিল ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৩৮
১০ টাকার টিকিট কেটে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গতকাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন,  প্রধানমন্ত্রী সাধারণ রোগীদের মতো ১০ টাকা ফি দিয়ে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তিনি বলেন, এর আগেও এখানে এভাবে তিনি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসক ও নার্সদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও পাঁচ টাকা মূল্যের নির্ধারিত টিকিট কেটে একাধিকবার গাজীপুরের কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছিলেন তিনি। ওই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন,আমি যদি কখনও অসুস্থ হয়ে পড়ি, তাহলে আপনারা আমাকে বিদেশে নেবেন না। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে উঠাবেন না।
আমি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নেব। এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেব।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৯-০৪-১৯ ২২:২৩:৩৪

বাংলাদেশের চিকিত্সক গন তীক্ষ্ণ বুদ্ধিশালী ।বিদেশী ডাক্তার গণ শত পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন। বাংলাদেশী ডাক্তার রোগীর লক্ষণ দেখে চিকিৎসা দেন তবূও রোগী সুস্থ ও হয়। আমি কানাডায় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন করা ঔষধ খেয়ে এন্টিবায়টিক এলার্জিতে আক্রান্ত হই ২০১৭ সালের মে মাসে। আমার মুখের ভিতর জিহ্বা ও ঠুটের অভ্যন্তরে চামড়া নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ডাক্তারকে শতবার বলার পরও মানতে রাজি হয়নি, ভয় ছিল স্বীকার করলে ভুল চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে। কিন্তু ২০১৮ সালের নভেম্বর দেশে বেড়াইতে এসে ডাক্তার এমনকি কম্পাউন্ডার চিকিত্সক অবস্থা দেখেই ধরে ফেলেন এলার্জি আক্রান্ত আমি। তাই এন্টিবায়টিকের সাথে সাথে তারা এলার্জির ঔষধ ( মনিকা ১০ ও মন্টেলুকাস ) ব্যবস্থা পত্র দেন দুই বারে। এখন আমার মুখের ভিতর সম্পূর্ণ সুস্থ। বিদেশী ডাক্তার হলেই ভাল চিকিৎসা হবে সেই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বিদেশে অবশ্যই উন্নত মানের পরীক্ষা যন্ত্র আছে। আর তাদের ব্যবহার অমায়িক। দেশে যন্ত্রপাতির সুব্যবস্থা হলে আর সেবার মান অমায়িক হলে আমাদের দেশের চিকিৎসা বিশ্ব সেরা হবে।

আপনার মতামত দিন

বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে

নৈরাজ্য

১৯ জনকে গণপিটুনি নিহত ৩

মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি

মিন্নির জামিন মেলেনি

পুঁজিবাজারে একদিনেই ৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন হাওয়া

মশায় অতিষ্ঠ মানুষ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আতঙ্ক

অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে অচল ঢাবি

যে কারণে সিলেটে মহিলা কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলা

৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ও পানিবিহীন শাহজালাল বিমানবন্দর

সাত দিনের মধ্যে প্রথম কিস্তি পরিশোধের নির্দেশ

এ যেন খোঁড়াখুঁড়ির নগরী

বৃষ্টি হলেই জলজট

শিমুল বিশ্বাসের পাসপোর্ট প্রদানের নির্দেশ হাইকোর্টের

এক সিগন্যালেই ৬৭ মিনিট