বিপর্যয়ের মুখে তেরেসা মে

প্রথম পাতা

মানবজমিন ডেস্ক | ২৭ মার্চ ২০১৯, বুধবার
 বিপর্যয়ের মুখে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। ক্ষমতা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তিনি। এরই মধ্যে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিতে অপ্রত্যাশিতভাবে হাউস অব কমন্সে ভোট দিয়েছেন এমপিরা। এ ভোটে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র সরকার ৩২৯-৩০২ ভোটে পরাজিত হয়েছে। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ায় হাউস অব কমন্সের নিয়ন্ত্রণ নিতে এমন ভোট দিয়েছেন এমপিরা।

পার্লামেন্টের নিম্ন্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে এ সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করেন তেরেসা মে’র নিজের দল কনজার্ভেটিভ পার্টির স্যার অলিভার লেটউইন। তা সমর্থন করেছেন বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন। প্রস্তাবটি এবং এমপিদের ভোটের বিষয়টি মানতে বাধ্য নন বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করলেও জেরেমি করবিন বলেছেন, এ প্রক্রিয়াকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতেই হবে সরকারকে।
তার ভাষায়- ‘সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমি বিশ্বাস করি, হাউস অব কমন্সকে সফল হতেই হবে’। তিনি আরো বলেছেন, সামনের পথ নির্ধারণে একটি ঐকমত্য খুঁজে পেতে চাইবেন এমপিরা। এর মধ্যে থাকতে পারে প্রধানমন্ত্রীর চুক্তিতে জনগণের অংশগ্রহণে সম্ভাব্য একটি ‘কনফারমেটরি ভোট’।

সরকারের বিরুদ্ধে ওই ভোটে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র কনজারভেটিভ দলের ৩০ জন এমপি ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন তিনজন মন্ত্রী রিচার্ড হ্যারিংটন, অ্যালিস্টার বার্ট ও স্টিভ ব্রিন। এই তিনজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। ভোটের পর ব্রেক্সিট বিষয়ক ছায়ামন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার টুইটে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য আরেকটি অবমাননাকর পরাজয়। তিনি তার নিজের দল, মন্ত্রিপরিষদ ও ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন পুরোপুরি। এ বিষয়ে পার্লামেন্ট লড়াই করছে। এখন পরবর্তীতে কী ঘটবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ এসেছে পার্লামেন্টের।
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’ গত সপ্তাহে লিসবন চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদের অধীনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে সময়সীমা বৃদ্ধির আহ্বান জানাতে বাধ্য হন। একই সঙ্গে তিনি ব্রেক্সিট সম্পাদন বিলম্বের জন্য এমপিদের দায়ী করে তার সমলোচনা করেন।

এর আগে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রেক্সিট নিয়ে দর কষাকষি করে দু’দফা এই প্রস্তাব বৃটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে উত্থাপন করেন। কিন্তু প্রতিবারই ভয়াবহভাবে পরাজিত হয়েছেন তেরেসা মে’। নতুন করে তিনি এই বিলটি আবার পার্লামেন্টে তুলতে পারেন। এ বিষয়ে তিনি এমপিদের কাছে লিখেছেন। এমন অবস্থায় তার সামনে ৬টি ভিন্ন পথ খোলা থাকতে পারে। তা হলো- ১. অনুচ্ছেদ ৫০ বাতিল করা এবং ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া বাতিল করে দেয়া। ২. আরেকটি গণভোটের ডাক দিতে পারেন। ৩. কানাডার স্টাইলে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। ৪. কোনো চুক্তি ছাড়াই  ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়া। ৫. প্রধানমন্ত্রীর চুক্তিতে যুক্ত হতে পারে একটি কাস্টমস ইউনিয়ন। ৬. যুক্ত হতে পারে কাস্টমস ইউনিয়ন ও একক বাজার সুবিধা।  



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কেন্দুয়ায় পানিতে পড়ে ৩ শিশুর মৃত্যু

নববধূকে সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকার অভিযোগ, মামলা

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৩০ এপ্রিলের মধ্যে বিএনপির বাকিরাও শপথ নেবেন : হানিফ

লাবণ্যকে বহনকারী মোটরবাইক চালক আটক

সরকারের চাপে শপথ নিচ্ছে বিএনপির নির্বাচিতরা

‘গেট আউট’ মোকাব্বির যোগ দিলেন গণফোরামের কাউন্সিলে

‘সাংগ্রি-লা হামলায় নিহত হয়েছে জাহরান হাশমি’

শ্রীলঙ্কায় হামলার আশঙ্কা, মসজিদ বা গির্জায় প্রার্থনা না করার আহ্বান

নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

ইরাকে ৪৫ বাংলাদেশী শ্রমিক উদ্ধার

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল

কথিত বাংলাদেশী অভিবাসী ইস্যুতে উত্তপ্ত ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ

‘মাসের ত্রিশ দিনই ক্যামেরার সামনে থাকতে হচ্ছে’

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতিকে শোকজ

কুষ্টিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত