নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলা

ড. সামাদের বাড়িতে মাতম

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম থেকে | ১৬ মার্চ ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০২
নিউজিল্যান্ড ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার মধুর হাইল্যা গ্রামের ড. আবদুস সামাদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। নাগেশ্বরী উপজেলা সদর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বাড়িতে এখন উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন। তিনি ২০১৩ সাল থেকে সপরিবারে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের হেগলি পার্কে বসবাস করে আসছেন। ড. সামাদ নিউজিল্যান্ডের লিংকন ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ছিলেন। এছাড়া তিনি ডিন্স অ্যাভিনিউয়ের আল নূর মসজিদের মোয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৩ পুত্র সন্তানের জনক। তার স্ত্রীর নাম কিশোয়ারা বেগম। তারেক রহমান ও তানভীর হাসান নামে তার দুই ছেলে নিউজিল্যান্ডে বসবাস করে।
এছাড়া বড় ছেলে তোহা মাহমুদ ঢাকায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। ড. আবদুস সামাদ পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয়। তার বড়ভাই আসাদ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। অন্য দুই ভাই গ্রামের বাড়িতে থাকেন। তার ছোট ভাই হাফেজ হাবিরুর রহমান জানান, তারা এই হত্যাকাণ্ডে অত্যন্ত মর্মাহত। তারা চান দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক এবং ড. সামাদের মরদেহ অবিলম্বে বাংলাদেশে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হোক। এদিকে ড. সামাদসহ মুসল্লিদের হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার বাদ আসর নাগেশ্বরী বাজারে ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে একটি মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

মুফতি তাকি উসমানীর গাড়িবহরে গুলিবর্ষণ, নিহত ২

লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর

বিয়ে করলেন মোস্তাফিজ

ছেলে-মেয়ের সংবর্ধনা একসঙ্গে আয়োজন করায় শিক্ষক খুন

আশার বীজে জল সঞ্চার করেছে তাদের রক্ত, আবেগময়ী ভাষণে ক্রাইস্টচার্চের ইমাম

পশ্চিমবঙ্গে দলছুট সবাইকে প্রার্থী করলো বিজেপি

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সুলতান মনসুরের শ্রদ্ধা

অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন মেনন

ইতালিতে স্কুলবাস ছিনতাই করে আগুন, চালক গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে অপহরনের তিনদিন পর ক্লিনিক ম্যানেজারের লাশ উদ্ধার

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি

বাস-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে শিক্ষার্থীসহ নিহত ৬

আজ থেকে মাঠে নামছে বিজিবি

ফেরি ডুবে ইরাকে শতাধিক মানুষের মৃত্যু

‘হৃদয় ভেঙ্গেছে তবুও ভেঙ্গে পড়িনি’