সোহরাওয়ার্দী চালু, রোগীর চাপে ঢামেকে ভোগান্তি

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৫
ঢাকা মেডিকেলে ভোগান্তি ছবি: নাসির উদ্দিন
অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক কাটিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আংশিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগুন লাগার কারণে সরিয়ে নেয়া রোগীদের অনেকেই আবার হাসপাতালে ফিরতে শুরু করেছেন। সেই সঙ্গে জরুরি বিভাগে নতুন রোগীরাও চিকিৎসা নিতে আসছেন। তবে আগুনে শিশু ১১ (নবজাতক) ওয়ার্ড ও ১২ নম্বর গাইনি ওয়ার্ড মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আপাতত এই রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে না।

এদিকে আইসিইউ’র ৯ রোগীর একজনও ফিরেনি। কোনো রোগী ছিল না পোস্ট অপারেটিভ রুমেও। সরিয়ে নেয়া মেডিসিন ১ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিকুর রহমান নামের এক রোগী গতকাল ভোর ৬টায় মিরপুর-১ নম্বর বাসায় মারা গেছেন বলে হাসপাতাল সূত্র ও রোগীর ভাই নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতালে পুরানো রোগী ফিরে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন এবং রোগীর জিনিসপত্র চুরি হওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের রোগী সরিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।
কিন্তু সেখানে গিয়ে অনেকে পড়েন চরম  ভোগান্তিতে। ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এতো রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খান।

বৃহস্পতিবার বিকালে আগুন লাগার পর রাত ১০টায়ই সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম কিছুটা বাড়তে থাকে। আগুন লাগার পর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে ১১ থেকে ১২শ রোগী অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়। এসব রোগীর মধ্যে ৭১৮ জন গতকাল দুপুর আড়াইটার মধ্যে হাসপাতালে ফিরে এসেছেন। পাশাপাশি নতুনভাবে চিকিৎসাসেবা নিতে ভর্তি হয়েছেন ১৩ জন। জরুরি বিভাগ দিয়ে সেবা নিয়েছে ওই সময়ের মধ্যে প্রায় একশ’ রোগী। শুক্রবার সরজমিনে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালটির গেটের পাশেই চেয়ার টেবিল পেতে ডেক্স বসানো হয়েছে। সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন একাধিক চিকিৎসক ও নার্স। এখান থেকেই পুরাতন রোগীদের কাগজপত্র পরীক্ষা করে চিকিৎসার জন্য ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দিচ্ছিলেন। পুরাতন রোগীদের কাগজপত্র পরীক্ষা করা এক নার্স বলেন, আগুন লাগার আগে আমাদের এখানে যারা ভর্তি ছিলেন তারা এলেই আমরা আবার চিকিৎসা শুরু করছি।

চিকিৎসকরা দাবি করেন শুক্রবার সকাল থেকেই হাসপাতালের কার্যক্রম প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। হাসপাতালের কার্যক্রম শতভাগ শুরু না হলেও যে বড় ধরনের আগুন লেগেছিল, তা বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান কার্যক্রমকে স্বাভাবিকই মনে করছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকেই হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমকে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফসহ সবাই পুরোদমে কাজ শুরু করেন। সবার প্রচেষ্টায় রাতেই শুরু করা যায় জরুরি বিভাগ। এর মধ্যে রাতে বৈদ্যুতিক সংযোগ ফিরে এলে ধীরে ধীরে অন্য বিভাগ ও ওয়ার্ডগুলোকেও সচল করা হবে।

হাসপাতালের অনুসন্ধান বিভাগে দায়িত্ব পালন করা একজন বলেন, পুরাতন রোগীদের পাশাপাশি নতুন সব ধরনের জরুরি রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া শুরু হয়েছে। জুমার নামাজের আগ পর্যন্ত ১৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। জরুরি বিভাগ দিয়ে সেবা নিয়েছেন প্রায় একশ’ রোগী। এ হাসাপাতালের সাধারণত প্রতিদিন ৯০ থেকে ১৩০ জন নতুন রোগী ভর্তি হন। তবে শুক্রবার রোগীর পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। সরজমিনে ১১ নম্বর ওয়ার্ড (শিশু), ১২ নম্বর ওয়ার্ড গাইনি ও  মহিলা  ৪ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো রোগী দেখা যায়নি এবং নতুন করে ভর্তি করা হয়নি। এখানে ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ড, একটি আইসিইউ ও পোস্ট অপারেটিভ রুম রয়েছে।

আগুনে হাসপাতালের কয়েকটি ওয়ার্ড ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নকর্মীরা পরিচ্ছন্নের জন্য কাজ শুরু করেন। পুরো হাসপাতালে আগুনে পোড়ার গন্ধ। হাসপাতালের কর্মরত ব্যক্তিরা বলছেন, নিচতলার স্টোর রুম থেকেই আগুন লেগে থাকতে পারে। সেখান থেকে আগুন তিনতলা পর্যন্ত উঠে যায়। পুরো সিঁড়ির রুম আগুনে পুড়ে গেছে। ২য় ও ৩য় তলায় মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডের বেডগুলো পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্টোর রুম ফিতা দিয়ে চিহ্নিত করা রয়েছে। মেঝেতে আছে প্রচুর পানিও।

সকাল সাড়ে ১১টায় মেডিসিন ১ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, রোগী দেখছেন ডাক্তার। পাশে নার্সরা রোগীর কাগজপত্রের ফাইল এগিয়ে দিচ্ছিলেন। তখন ওই ওয়ার্ডে আড়াইশ’ রোগীর মধ্যে ৫০ জন ফিরেছিলেন। একজন নার্স জানান, পুরুষ ওয়ার্ড-১ এ ভর্তি সিদ্দিকুর রহমান নামের একজন রোগী ভোর রাতে মারা যান। অগ্নিকাণ্ডের কারণে আতঙ্কে তিনি বাসায় চলে গিয়েছিলেন। তার বয়স ৬০। মিরপুর-১ এ বাসা। রোগীর ছোট ভাই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তার ভাই ১৩ই ফেব্রুয়ারি ব্রেন স্ট্রোকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সিদ্দিকুর রহমান ওই ওয়ার্ডের ৬৯ নম্বর বেডে ছিলেন। কর্তব্যরত নার্সরা জানান, হাসপাতাল থেকে স্থানান্তর হওয়া রোগীদের মধ্যে কম সংখ্যকই ফিরে আসছেন। দুপুর পৌনে একটার দিকে ২নং ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাত্র ১৩ জন রোগী ফিরে এসেছেন। যেখানে রোগী ছিলেন ৩৯ জন। অন্যান্য ওয়ার্ডের অবস্থাও একই।

হুইল চেয়ার করে এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে ঘুরছেন গলার অপারেশন করানো রোগী  রিয়া ইয়াসমিন। আগুন লাগার সময়ে ছিলেন পোস্ট অপারেটিভ রুমে। পরে তার স্বামী তাকে দ্রুত বাসায় নিয়ে যান। গতকাল ফিরে এলে তাকে প্রথমে ৮ নম্বর ওয়ার্ড, কখনো ১০ নম্বর ওয়ার্ডে আবার লিফটের নিচে-উপরে উঠা-নামা করতে দেখা যায়।  রোগীর স্বামী অভিযোগ করেন, ঘণ্টার উপরে ঘুরাচ্ছিল নার্স ও ডাক্তাররা। এটা হয়রানি ছাড়া আর কিছুই না।

ঢামেকে ভোগান্তিতে রোগীরা: অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) সরিয়ে আনা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে আগুন লাগার পরে তাদের ঢামেকে আনা হলে অনেকেই হাসপাতালের কোনো নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা পাননি। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত রোগীদের ঢামেকের নতুন ভবনের নিচতলায় কাটাতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেলেও নিচতলায় কষ্ট করে রাত কাটাতে হয়েছে তাদের।  ধুলোবালিসহ নানা অসুবিধায় পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।

  সরজমিনে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে যাদের সোহরাওয়ার্দী থেকে ঢামেকে আনা হয়, তাদের মধ্যে কমপক্ষে ৪০ জন রোগী কোনো ওয়ার্ডের বেড পাননি। অনেকে রাত তিনটা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে সকালে ১১টা পর্যন্তও অনেককে কাটাতে হয়েছে জরুরি বিভাগের ফ্লোরে। চারপাশের ধুলোবালি, বাইরের শব্দে সাধারণ রোগীরা অনেকে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, রাত থেকে হাসপাতালের ওয়ার্ড বা কেবিন দেয়া হয়নি। কাটাতে হয়েছে মেঝেতে। আবদুর রশিদ হাওলাদার নামের এক ব্রেইন স্ট্রোকের রোগীর ছেলে সুমন বলেন, সোহরাওয়ার্দীতে আগুন লাগার পর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেলে আমাদের পাঠিয়ে দেয়। তবে ঝামেলার মধ্যে পড়েছি এখানে এসে।

আবার বাবা ব্রেইন স্ট্রোক করেছেন। তার জন্য কোনো বেড পাইনি। রাত দশটার দিকে আনার পর এদিক-ওদিক ঘুরেছি। কোথাও বাবার জন্য একটি সিট পাইনি। এমনকি এখানে অনেক দালালের খপ্পরেও পড়তে হয়েছে। ওয়ার্ড বয় স্ট্রেচারে করে উপরে নিয়ে যাবে সেজন্য টাকা দিতে হবে। পাঁচশ টাকা ছাড়া কথা বলে না। পরে দুইশ’ টাকা দিয়েছি। কিন্তু উপরে নিয়ে লাভ হয়নি। আবার বাবাকে নিচে এনেছি। একজন ব্রেন স্ট্রোকের রোগীকে নিয়ে এভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় এটা খুব অবাক লাগলো। জরুরি বিভাগের নিচতলার মেঝেতে শুয়ে ছিলেন আরেক রোগী নূর মোহাম্মদ। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে আনার পর তিনি এখানেই পড়ে ছিলেন সকাল পর্যন্ত।

এই রোগীর ছেলে দেলোয়ার বলেন, অনেক চেষ্টা করেও একটা বেড পাইনি। বাবার লিভারের সমস্যা। এমন একটা রোগী নিয়ে এখানে থাকা যায়। তারপরও সারারাত অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়েছে। চাঁদপুরে ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর সোহরাওয়ার্দীতে ভর্তি হয়েছিলেন রহিম গাজী (৬৫)। সঙ্গে আছেন তার স্ত্রী শাহনাজ। বৃহস্পতিবার রাতে সোহরাওয়ার্দীতে আগুনের আতঙ্ক কাটেনি শাহনাজের। তিনি জানান, আগুনের খবর শুনে ভয়ে অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালে যে কক্ষে ছিলেন তার পাশেই আগুন লেগেছিল। তাতে অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল পুরো কক্ষটি। সোহরাওয়ার্দীর চিকিৎসক ও নার্সদের সহায়তায় কোনোমতে কিছুটা স্বস্তি এলেও ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করার পর ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে শাহনাজকে। তিনি বলেন, এখানে আসার পর খুব অসহায় হয়ে পড়ছি। কোনো বেড খালি পাইনি। ডাক্তাররা দেখাশোনা করলেও খোলা ময়দানে আমি নিজেও কষ্ট করছি। উপরে কোনো জায়গা খালি নেই।

ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী যা বললেন: বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আগুন লেগেছিল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। শুক্রবার নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আগুন লাগে। শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা স্টোর রুমে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, আমাদের বেশ কিছু হাসপাতাল আছে পুরনো, এগুলোর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।

আমরা সব হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে দেখবো। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দুটি ওয়ার্ড বাদে সব ওয়ার্ডে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, ১১ থেকে ১২শ’ রোগী রোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালের বাইরে নিরাপদে আনা সম্ভব হয়। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম কুমারকে প্রধান করে ৭ সদস্যের আরো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালের ফায়ার সিস্টেম দুর্বল: গতকাল সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) একেএম শাকিল নেওয়াজ বলেন, হাসপাতালে ফায়ার ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। এই বিষয়ে তারা জরিপ করে আগেই সতর্ক করেছিল মন্ত্রণালয়কে। হাসপাতালে যথেষ্ট পানি থাকা দরকার ছিল। বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ডের সময়ে হাসপাতালে যথেষ্ট পানি পাওয়া যায়নি। ফলে অন্যা জায়গা থেকে লিংক করে পানি আনতে হয়েছে। এই হাসপাতালের দুর্বল বিষয়গুলো মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘দর্শক আমাকে অন্যভাবে আবিষ্কার করবে’

আমিই এখন তোমার মা ও বাবা

থমথমে পাহাড় গুলিতে আওয়ামী লীগ নেতা নিহত

সিনেমা হলের সূচনার গল্প

বাবার সামনেই বাস পিষে মারলো আবরারকে

একদিনে সড়কে নিহত ১২

নুরের একাত্মতা, আঘাত এলে দাঁতভাঙা জবাব

খাগড়াছড়িতে বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

এখনো চলছে সেই জাবালে নূর পরিবহন

প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা

‘খালেদা অসুস্থ আদালতে আসার আগেও বমি করেছেন’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন একপেশে প্রত্যাখ্যান করছি

নরসিংদীতে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে গোলাগুলি, নিহত ২

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিজয় এনে দিয়েছে

আত্মবিশ্বাসী শতাব্দী রায়, আরো বড় ব্যবধানে জিততে চান

সরকারি হাইস্কুলে তিন বিষয়ে ১৫০৬টি পদ সৃষ্টি হচ্ছে