বক্সিংয়ে নতুন বিদেশি কোচ নিউজিল্যান্ডের টড

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার
২০১০ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান গেমসে বক্সিংয়ে দুটি স্বর্ণ ও একটি রৌপ্য জিতে বাংলাদেশ। তবে ২০১৬ সালে শিলং-গৌহাটিতে অনুষ্ঠিত পরের আসরে পদক শূন্য থাকে বক্সাররা। নেপালের আসন্ন গেমসে স্বর্ণপদক জিততে বিদেশি কোচ খুঁজছে বাংলাদেশ অ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশন। ইতিমধ্যে নিউজিল্যান্ডের ক্যামেরন টডের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি অপেক্ষায় রয়েছেন সবুজ ইঙ্গিতের। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন (বিওএ) কোচের বেতন ভাতা দিতে রাজি হলেই তাকে সবুজ সংকেত দিবে ফেডারেশন। এ ছাড়া বক্সিংয়ে বিশ্বসেরা অন্যতম দেশ কিউবার উমার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম তুহিন।
২০১৪ সালে এশিয়ান গেমসের আগে ইউক্রেন থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছিল আলেকজান্দার হুরেনকোকে। বক্সারদের নিয়ে তিনি বেশ ভালোই কাজ করেছিলেন।
তবে চুক্তি শেষ হলে তিনি চলে যান নিজ দেশে। দীর্ঘদিন পর ফের বক্সিংয়ে বিদেশি কোচের সন্ধানে কোমর বেঁধে নেমেছে বর্তমান কমিটি। যার প্রেক্ষিতে নিউজিল্যান্ডের ক্যামেরন টডের সঙ্গে কথা হয়েছে। আইবা লেবেল ৩ কোচের সনদ রয়েছে এই কোচের। ৩০ বছর ধরে কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে টডের। নিউজিল্যান্ডের পাশাপাশি ওশেনিয়া অঞ্চলেরও সেরা কোচ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ক্যামেরন। ওশেনিয়া অঞ্চলের অলিম্পিকে পঞ্চম হওয়া অ্যালেক্সি প্রিচার্ড ও ব্রোঞ্জপদক জেতা ডেভিড তোয়ার মতো বক্সার গড়ে উঠেছেন টডের তত্ত্বাবধানে। কোচ নিয়োগ নিয়ে তুহিন বলেন, ‘আমরা টডের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনিও আমাদের দেশে এসে কাজ করতে রাজি হয়েছেন। তবে মাসিক তিন হাজার ডলার চাইছেন। এত অর্থ আমাদের ফেডারেশনের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। আমরা অপেক্ষায় থাকতে বলেছি উনাকে। আমরা বিওএ’কেও জানিয়েছি। উনারা রাজি হলেই কোচকে আমরা আসতে বলবো। টডের মতো কোচ পেলে আমাদের বক্সাররাও উপকৃত হবে।’ তিনি যোগ করেন, ‘তাছাড়া আমরা কিউবার উমার সঙ্গেও আলোচনা করেছিলাম। কিন্তু উমাকে ছাড়তে রাজি নয় থাইল্যান্ড। তাই তাকে আমরা পাচ্ছি না। তারপরও তিন হাজার ডলারের নিচে কোচ পেতে আমরা কিউবাতে আরো কোচ খুঁজছি।’ বিওএ’র মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুদ্দিন হায়দার বলেন, ‘মানসম্পন্ন কোচ আনতে পারলে বিওএ অবশ্যই কোচের বেতন ভাতাদির বিষয়ে চিন্তা করবে।’




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন