সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মদিন পালিত

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:২৪
বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি ও অঙ্গ- সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে স্থাপন করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। মেডিকেল ক্যাম্পে রোগীদের সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত মেডিসিন, সার্জারি, চর্মরোগ, চক্ষু রোগ, চোখ ও নাক, কান গলা; ও শিশু রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয়। অন্যদিকে দিবসটি উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি বিএনপি কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করে দলটি। কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পক্ষ থেকে পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়। এছাড়া, সারা দেশে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অষ্টম প্রেসিডেন্ট, সাবেক সেনাপ্রধান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও ফোর্স কমান্ডার। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি বগুড়া জেলার বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জন্ম ও শৈশবে তার ডাক নাম ছিল কমল। তার পিতার নাম মনসুর রহমান ও মা জাহানারা খাতুন ওরফে রানী। রসায়নবিদ পিতার কর্ম সূত্রে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুল ও করাচি একাডেমি স্কুলে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৩ সালে করাচিতে ডি. জে. কলেজে ভর্তি হন। একই বছর তিনি কাবুল মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে একটি কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে খেমকারান সেক্টরে তিনি অসীম বীরত্বের পরিচয় দেন। বীরত্বের জন্য পাকিস্তান সরকার জিয়াউর রহমানকে হিলাল-ই-জুরাত খেতাবে ভূষিত করে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করে। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি প্রথমে ডেপুটি ও পরে সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীতে যে অস্থিরতা তৈরি হয় তখন তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। ৭ই নভেম্বর সিপাহি জনতা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করেন এবং রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি। প্রথমে সেনাবাহিনীর চিফ অফ আর্মি স্টাফ, উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও পরে ১৯৭৭ সালের ২১শে এপ্রিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেন। কূটনীতি, কৃষি, বিদেশে শ্রমবাজার, অর্থনৈতিক উন্নতিতে একের পর এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নেন। তিনি চার বছর সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশ শাসন করার পর ১৯৮১ সালের ৩০শে মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হন। তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি তারই সহধর্মিণী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আরো তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ফিক্সিংয়ের দায়ে প্রোটিয়া ক্রিকেটারের ৫ বছরের জেল

অনুমতি ছাড়াই ফ্রান্সের ৮ নাগরিক খাগড়াছড়িতে

ফরিদপুরে বাবার হাতে ছেলে খুন

নলডাঙ্গায় কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

১৬ লাখ টাকার সিসি ক্যামেরা দুই বছরেই অচল

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎকে নিয়ে বিজেপির লাগামহীন কুৎসা

ব্রিজে উঠতে লাগে মই

যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রতিরক্ষা বাণিজ্য দাঁড়াবে ১৮০০ কোটি ডলারে

শরণখোলায় ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

‘নতুন সম্মেলন মানেই নতুন মুখ’

ভারতে হিন্দু নেতা হত্যা, গ্রেপ্তার দু’মাওলানাসহ ৫

ধামরাইয়ে শিক্ষকের হাতে বলৎকারের শিকার ছাত্র

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ ৬ জন নিহত

বিব্রত ঢাকা, বিজিবির বিরুদ্ধে ভারতে মামলা, তদন্ত শুরু

তিন ঘন্টার চেষ্টায় চট্টগ্রাম হকার্স মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

কঠিন পরীক্ষায় বরিস জনসন