ভারতে আটক ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত

বাংলারজমিন

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি | ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রোববার
অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক হওয়া ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারত সরকার। বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগের পর তাদের সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা স্থলবন্দর এলাকার নোম্যান্স ল্যান্ডে বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার বিকেল ৪টায় বিএসএফ ও আসাম পুলিশ শিলচর ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে সরাসরি তাদেরকে ভারতের সুতারকান্দি স্থলবন্দরে নিয়ে আসে। এরপর বিজিবি’র সঙ্গে যোগাযোগ করে বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশের শেওলা স্থলবন্দর এর নোম্যান্সল্যান্ডে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ভারত থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশীদের বেশির ভাগই বৃহত্তর সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ ও ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ফেরত আসা বাংলাদেশীরা ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এদের বেশির ভাগই কাজের তাগিদে ও বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে পুলিশ ও বিএসএফ’র হাতে আটক হন। বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগের পর তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভারত সরকার। ভারতের শিলচর পুলিশের ডিএসপি গৌরব আগরওয়াল সাজাভোগী ২১ বাংলাদেশীকে বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা স্থলবন্দরের নোম্যান্সল্যান্ডে বিজিবি’র হাতে হস্তান্তর করেন।
ফেরত আসা বাংলাদেশীরা হচ্ছেন- সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সুতারগ্রাম এলাকার মৃত আনফর আলীর পুত্র মো. আব্দুল ওয়ালিদ, জকিগঞ্জ উপজেলার হাঙ্গালীপাড়া এলাকার আব্দুল লতিফের পুত্র নাজিম উদ্দিন আজিম, কানাইঘাট উপজেলার ডোনা এলাকার রাফু মিয়ার পুত্র মো. খায়রুল, কানাইঘাট উপজেলার চান্দুরা গেলাকার হারাই মিয়ার পুত্র মামুন আহমদ, সিলেট নগরীর শাহপরান মীর মহল্লা এলাকার মীর আক্কাস আলীর পুত্র মীর পাবেল আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলার তালখারশাল এলাকার আব্দুল নুরের পুত্র মো. সাবেল আহমদ, কানাইঘাট উপজেলার বালামপুর এলাকার নুরুল আলমের পুত্র আশরাফুল আলম, দক্ষিণ সুরমা থানার মশারগাও এলাকার আছবর আলীর পুত্র তৌফিক আলি, জকিগঞ্জ উপজেলার মাসকন্নি এলাকার ফজলু মিয়ার পুত্র রাজু আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলার পুবেরবাক ওয়াতির আলীর পুত্র দেলোয়ার হোসেন, জকিগঞ্জ উপজেলার শরীফগঞ্জ এলাকার আব্দুস সাত্তারের পুত্র শামীম আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলার নয়াগ্রাম এলাকার তইমুজ আলীর পুত্র রুবেল আহমদ এবং জকিগঞ্জ উপজেলার কাশিরচক এলাকার আব্দুল শুকুরের পুত্র বাবুল আহমদ। এছাড়াও সিলেট জেলার বাইরে থেকে- টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর গড়াই এলাকার মৃত সোহরাব আলীর পুত্র মো. রমজান আলী, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার কানিহার এলাকার ক্ষিরদ কান্দি দাসের পুত্র লিটন কুমার দাস, টাঙ্গাইল জেলার নিতাইপাড়া এলাকার নয়ন মিয়ার স্ত্রী মোছা. সাফিয়া বেগম, ময়মনসিংহ জেলার কলমাকান্দা এলাকার মামুন মিয়ার কন্যা জাহিদা বেগম, গোপালগঞ্জ জেলার ননিকহার এলাকার আলী হোসাইনের পুত্র সফিক ইসলাম ও কাল্গাহুর এলাকার আছদ ফকিরের পুত্র সুমন ফকির, রংপুর জেলার বইদাখালী এলাকার মৃত খলিল বেপারির পুত্র মো. নাসির হোসাইন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রক্তাক্ত লঙ্কা পেছনে কারা?

দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি নেই

পাসপোর্ট বইয়ের সংকটে দুর্ভোগ চরমে

দগ্ধ তরুণীকে বাঁচানো গেল না

শেয়ারবাজারে উত্থান পতনের পেছনে কেউ জড়িত

ব্রুনাইয়ের সঙ্গে ৬ সমঝোতা সই

রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, চিকিৎসক আটক

ব্যারিস্টার আমিনুল হকের দাফন আজ

কালা মিয়ার কাটা পা এখনো উদ্ধার হয়নি

সঞ্চয়পত্রে ঝোঁক সবার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সরকারের

শবেবরাত পালিত

অমিত শাহ বললেন বাংলাদেশি হলেই নাগরিকত্ব!

পশ্চিমবঙ্গে ৯২ শতাংশ বুথে আধা সামরিক বাহিনী

গণআন্দোলনের প্রস্তুতি নিন: মোশাররফ

ঋণখেলাপিদের আরো বড় ছাড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের