মধুপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ডজনখানেক সম্ভাব্য প্রার্থী

বাংলারজমিন

মো. নজরুল ইসলাম, মধুপুর (টাঙ্গাইল) থেকে | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার
জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পরই টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রায় ডজনখানেক দোয়া চেয়ে পোস্টার ও বিলবোর্ড দিয়ে ছেয়ে ফেলেছেন। উপজেলার সর্বত্র শোভা পাচ্ছে তাদের পোস্টার ও বিলবোর্ড। এত পরিমাণ পোস্টার দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে মধুপুরকে পোস্টারের নগরী হিসেবেও আখ্যায়িত করছেন। গত ২০১৪ সালে ২৩শে মার্চ অনুষ্ঠিত হয় চতুর্থ মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ঐ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন দুইজন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবুু ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ডা.মীর ফরহাদুল আলম মনি। বিএনপির প্রার্থী ছিল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো.জাকির হোসেন সরকার।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে অপর প্রার্থী সরোয়ার আলম খান আবুকে সমর্থন দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার আগেই পঞ্চম মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলেছেন। মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, মধুপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবুু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ সিদ্দিক হোসেন খান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শরীফ আহম্মেদ নাসির, উপজেলা আওয়ামী লীগে উপ-প্রচার সম্পাদক মো. মোহসীনুল কবির, যুবলীগ নেতা মো. শিমুল মণ্ডল ও ফরহাদ হোসেন পলাশ। অপরদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হলেন, বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক। ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন তবে নির্বাচন করবো। দল যে সিদ্ধান্ত দেন সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করবো। আমার জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও যেহেতু গত নির্বাচনে স্থানীয় এমপির নির্দেশে প্রত্যাহার করেছিলাম সেহেতু এ নির্বাচনে আমি আশাবাদী।
অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের জন্য কোনো প্রকার ব্যক্তি স্বার্থ ছাড়াই সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার প্রাণের সংগঠন। আমি মনে প্রাণে ভালোবাসি আওয়ামী লীগের উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই।
এদিকে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আলোচনা এখন পথে-ঘাটে ও চায়ের দোকানে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেখ হাসিনা সরকার যেমন নবীনদের মনোনয়ন দিয়ে এবং নবীনদের মন্ত্রী করে চমক দিয়েছেন, তেমনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও চমক থাকতে পারে। তাছাড়াও একনেতা একপদের বিষয়টিও অনেকে সামনে আনছেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘এখনো অভিনয়ের ক্ষুধা মরে যায়নি’

জনবান্ধব-আওয়ামী লীগ

প্রত্যাখ্যান-গণফোরাম

সহায়ক -এফবিসিসিআই

মুশফিককে নিয়ে শঙ্কা

হঠাৎ ডেঙ্গু, ১৫ দিনে আক্রান্ত দুই শতাধিক

সীমান্ত হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত

জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ইকোসকের সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ

হয়রানিতে সতর্ক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে বিএনপি স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক

ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াহেদ ম্যানশনে রাতের আঁধারে চলছে নির্মাণ কাজ

বগুড়ায় ব্যবসায়ীকে থানায় নির্যাতন চার পুলিশ বরখাস্ত

নিম্নমানের কাগজে ছাপা হচ্ছে পাঠ্যবই

বাসায় আটকে দেহব্যবসা, কান্না শুনে দুই নারীকে উদ্ধার

জগন্নাথপুরে অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে নিয়ে ‘তোলপাড়’

তিস্তা, সীমান্ত হত্যা ও রোহিঙ্গায় জোর ঢাকার, ফের আশ্বাস দিল্লির