সিলেটে ভেন্যু নিয়ে আতঙ্কে ব্যাটসম্যানরা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, বৃহস্পতিবার
২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের যাত্রা শুরু। এই স্টেডিয়ামে গেল বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ছিল ২১০ রান মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে। এ ছাড়া এখানে এই ফরমেটে ১৬ ইনিংসের মধ্যে দেড়শ’ ছাড়ানো ইনিংস ৬টি। এ ছাড়াও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে এখানে হয়েছে রান উৎসব। গেল বছর বিপিএলের ৫ম আসরে এই স্টেডিয়ামে ২শ’ ছাড়ানো ইনিংস ছিল দুটি। কিন্তু মাত্র এক বছরের ব্যবধানেই যেন বদলে গেলো উইকেটের চরিত্র। এখানে যেন হারিয়ে গেছে ব্যাটসম্যানদের রান উৎসব। বিশেষ করে বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসরে সিলেট পর্বে বোলারদের দাপটে ত্রাহী অবস্থা ব্যাটম্যানদের।
এখন পর্যন্ত দুই দিনে তিন ম্যাচে কোনো ইনিংসই দেড়শ’ ছাড়াতে পারেনি। এমনকি নিজেদের মাঠেই প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স অলআউট হয় বিপিএলে ৭ম সর্বনিম্ন ৬৮ রানে। মিরপুর শেরেবাংলার উইকেটে রান হয় না। তাই আশা ছিল সিলেট পর্বে দর্শকরা চার-ছক্কার দারুণ লড়াই দেখেন। কিন্তু সেখানে এখন উল্টো চিত্র। তাহলে কি এখানেও চরিত্র বদলেছে উইকেটের! অলক কাপালি সিক্সার্সেরই নয় দেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার, ম্যাচ শেষে মন্তব্যে উঠে এসেছে উইকেটের ভয়াবহ রূপ। তিনি বলেন, ‘সিলেটে আসার আগেই আলাপ করেছিলাম গত বছর যেমন ফ্ল্যাট উইকেট ছিল, টি-টোয়েন্টির জন্য সেরা উইকেট ছিল। সেভাবে পরিকল্পনা করে আসছি যে এখানকার উইকেটে সুন্দরভাবে ব্যাটে বল আসবে। উইকেট আপ টু দ্য মার্ক না। আমার কাছে একটু সমস্যা (উইকেট) মনে হয়েছে। যেভাবে বল টার্ন করছিল, মনে হয়েছে তিন দিনের ম্যাচ খেলছি।’
অভিজ্ঞ অলক কাপালীর বক্তব্যেই স্পষ্ট যে সিলেটের উইকেটে এসেছে বেশ বদল। এর প্রমাণও সামনেই। এখানে মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইটান্স করেছিল ১২৮ রান তাও ৯ উইকেট হারিয়ে। জবাব দিতে নেমে রাজশাহী ১০৩ রানে গুটিয়ে যায়। এরপরের ম্যাচের চিত্র তো আরো ভয়াবহ। সিলেট সব উইকেট হারায় মাত্র ৬৮ রানে। জবাব দিতে নেমে যদিও ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে কুমিল্লা। দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল এবারও খেলছেন কুমিল্লার হয়ে। গতকালও সিলেটের বিপক্ষে তিনি রান পাননি। তবে এবার অবশ্য বেশি সতর্ক তিনি। মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা করে আগের বিপিএলে শাস্তি পেয়েছিলেন। তাই হয়তো উইকেটের দোষ না দিয়ে তিনি বলেছেন আবহাওয়ার কারণে উইকেটের এমন বাজে অবস্থা। অবশ্য নিজে যে ফর্মে নেই, সেটিও বলতে দ্বিধা করেননি।
আশা করা হচ্ছিল দ্বিতীয় দিন হয়তো রানের দেখা পাবেন দর্শকরা। কিন্তু সেটি তো হয়নি উল্টো রাজশাহীর বিপক্ষে ঢাকার ঝড় তোলা ব্যাটসম্যানদেরই দেখা গেছে সংগ্রাম করতে। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী কিংস স্কোর বোর্ডে ১৩৬ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। জবাবে জাজাই, সাকিব, রাসেল, পোলার্ডরা যেন খেই হারায়। ১১৬ রান তুলতে ৯ উইকেট হারায় সেই সঙ্গে শেষ হয় নির্ধারিত ২০ ওভারও।
প্রথম তিন ম্যাচে উইকেটে বোলারদের দাপটই ছিল দারুণভাবে। প্রথম দিন এখানে ম্যাচ সেরা হয়েছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান। দ্বিতীয় দিনও ম্যাচ সেরা হয়েছেন আরেক স্পিনার আরাফাত সানি। প্রথম ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে রাজশাহীর হয়ে এই স্পিনার নিয়েছেন ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট।





এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রক্তাক্ত লঙ্কা পেছনে কারা?

দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি নেই

পাসপোর্ট বইয়ের সংকটে দুর্ভোগ চরমে

দগ্ধ তরুণীকে বাঁচানো গেল না

শেয়ারবাজারে উত্থান পতনের পেছনে কেউ জড়িত

ব্রুনাইয়ের সঙ্গে ৬ সমঝোতা সই

রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, চিকিৎসক আটক

ব্যারিস্টার আমিনুল হকের দাফন আজ

কালা মিয়ার কাটা পা এখনো উদ্ধার হয়নি

সঞ্চয়পত্রে ঝোঁক সবার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সরকারের

শবেবরাত পালিত

অমিত শাহ বললেন বাংলাদেশি হলেই নাগরিকত্ব!

পশ্চিমবঙ্গে ৯২ শতাংশ বুথে আধা সামরিক বাহিনী

গণআন্দোলনের প্রস্তুতি নিন: মোশাররফ

ঋণখেলাপিদের আরো বড় ছাড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের