সিবিআইকে রাজ্যে ঢুকতে দেবেন না মমতা

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৪৮
ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে রাজ্যে ঢুকতে দেবে না বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ১৯৮৯ সালে রাজ্যের তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যে তদন্ত করার ব্যাপারে যে সাধারণ সম্মতিপত্র দিয়েছিল তা শুক্রবার প্রত্যাহার করে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক কর্তা বলেছেন, সিবিআই অযথা হয়রানি করার মনোভাব নিয়ে চলছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। ভবিষ্যতে বিষয় সাপেক্ষে (কেস-টু-কেস) অনুমতি দেয়ার বিষয়টি রাজ্য বিবেচনা করবে বলে তিনি জানিয়েছেন। আরও বলা হয়েছে, এখন থেকে আদালতের নির্দেশে পরিচালিত তদন্ত ছাড়া অন্য কোনও তদন্তে সিবিআই রাজ্যের অনুমতি ছাড়া ঢুকতে পারবে না। তদন্তের প্রয়োজনে রাজ্যের কাছে আগাম অনুমতি চাইতে হবে। কিছুদিন আগে অন্ধপ্রদেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে।


শুক্রবার সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, চন্দ্রবাবু ঠিক করেছেন, সিবিআই-কে ঢুকতে দেব না বলেছেন। নিয়ম তো আছে। আমিও খতিয়ে দেখেছি। আমাদেরও আইনটা দেখে নিতে হবে। তবে সেই কাজ সম্পন্ন করা হয় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই।

দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গেও ১৯৮৯ সালে ‘সাধারণ সম্মতি’ দেয়া হয়েছিল। সেই ছাড়পত্র প্রত্যাহারের পরে সরকারের শীর্ষ কর্তা বলেছেন, এর ফলে রাজ্যে কর্মরত সর্বস্তরের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা সবাই ‘সুরক্ষিত’ হয়ে গেলেন। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা বা তার কর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করার জন্য সিবিআই গঠিত হয়েছিল। তবে সিবিআই-কে কোনও রাজ্যে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে বা রাজ্যে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও দপ্তরে তল্লাশি চালাতে গেলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের অনুমতি নিতে হয়। সিবিআই সূত্র বলা হয়েছে, প্রায় সব রাজ্যই একটি আগাম সম্মতি দিয়ে রাখে। যার ফলে প্রতিটি ক্ষেত্রে আর আলাদা করে অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন হয় না। ক’দিন আগে সেই সম্মতিই প্রত্যাহার করেছে অন্ধপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুর সরকার। শুক্রবার সেই পথ অনুসরণ করেছে  পশ্চিমবঙ্গ। কিছুদিন আগেই  সারদা, রোজ ভ্যালি, নারদ তদন্তে রাজ্যের কয়েক জন আইপিএস অফিসারকে তলব করেছিল সিবিআই। তাতে বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সিবিআইয়ের সৌজন্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল রাজ্য সরকার।

রাজ্যের নানা সংস্থায় বিভিন্ন সময়ে সিবিআই অভিযান চালিয়ে রাজ্য সরকারকে হেনস্থা করছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন মমতা। তবে মমতার এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক রাহুল সিংহ বলেছেন, চোর, ডাকাত ছাড়া পুলিশকে কে ভয় পায়! সিবিআই-কে আটকানো অত সহজ নয়। দেশে আইন রয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ক্ষমতায় আসতে না পারলে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ হয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী

শেষ মরণ কামড় দিচ্ছে সরকার: রিজভী

টাঙ্গাইল ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব গ্রেপ্তার

সংঘাত গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হতে পারে না: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতা কর্মীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়া হচ্ছে

ঝালকাঠিতে বিএনপি প্রর্থীর গাড়ী ভাংচুর, মারধর

দৌলতপুরে বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ আটক ১৪

বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে

আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্যই এ বানোয়াট ফোনালাপ

পাবনায় অধ্যাপক সাঈদের গাড়িতে হামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক মঞ্চে প্রার্থীরা, নিলেন শপথ

গো বলয়ের রঙ বদলে বিরোধীরা আত্মবিশ্বাসী

নিতাই রায় চৌধুরীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাংচুর

সিলেটে প্রচারণায় গিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ অসুস্থ

খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থানায়

ক্ষমতাসীনদের অধীনেও ভালো নির্বাচন হতে পারে এটা প্রমান করা গুরুত্বপূর্ণ