নি র্বা চ নী হা ল চা ল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬

তাজ-খালেক নিশ্চিত আশাবাদী অন্যরাও

এক্সক্লুসিভ

জাবেদ রহিম বিজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:২৫
আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব:) এবি তাজুল ইসলাম আর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে শক্তিশালী এ দু-প্রার্থী এবার নিজ নিজ দলের একাধিক মনোনয়ন প্রার্থীর বেড়াজালে। তবে ক্যাপ্টেন তাজ বলেছেন মনোনয়ন তিনিই পাবেন। আর আবদুল খালেক দলের অন্য মনোনয়ন প্রার্থীদের গননায় ধরছেন না। অন্যদিকে তাজের সঙ্গে মনোনয়নের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রত্যেকেই বলেছেন মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশা তাদের। বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থীদেরও আছে এমন আশাবাদ। প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রার্থীর মাঠ দাপিয়ে বেড়ালেও বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থীরা কাজ করছেন নীরবে। আওয়ামী লীগের ক্যাপ্টেন তাজ আর মহিউদ্দিন মহির পাল্টাপাল্টি জনসমাবেশে উত্তাপ বেড়েছে এখন এই নির্বাচনী এলাকায়।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন আর ১ পৌরসভা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ নির্বাচনী এলাকা। স্বাধীনতার পর থেকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর আসনে আওয়ামী লীগ ৪ বার, বিএনপি ৩ বার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩ বার জয়ী হয়েছেন। এরমধ্যে ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হন ড. এডব্লিউএম আবদুল হক, ১৯৭৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোজাম্মেল হক অদুদ মিয়া, ১৯৮৬ সালে স্বতন্ত্র শহীদুর রহমান, ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র এটিএম ওয়ালী আশরাফ, ১৯৯১ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন এটিএম ওয়ালী আশরাফ, ১৯৯৪ সালে এটিএম ওয়ালী আশরাফ মারা গেলে উপনির্বাচনে বিএনপির শাহজাহান হাওলাদার সুজন নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ক্যাপ্টেন (অব:) এবি তাজুল ইসলাম, ২০০১ সালে বিএনপির আবদুল খালেক, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালে আবারও আওয়ামী লীগের ক্যাপ্টেন (অব:) এবি তাজুল ইসলাম এই আসনে এমপি নির্বাচিত হন। ২০০১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের ক্যাপ্টেন (অব:) এবি তাজুল ইসলাম আর বিএনপির আবদুল খালেকের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ। তবে এবার চাপে রয়েছেন দু’জনেই। তাজের বিপরীতে মনোনয়ন চাইছেন যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক, সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সদস্য ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ বাবু এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম মোস্তফা কামাল। এ বছরের শুরুতে আলাদা আলাদা সংবাদ সম্মেলন করে তিনজনই মনোনয়ন চাওয়ার কথা জানান। পাশাপাশি নানা কারণে বর্তমান সংসদ সদস্যের মনোনয়ন বিমুখ হওয়ার ইঙ্গিত দেন তারা। ক্যাপ্টেন তাজ ১৯৯৬, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালে এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ’৯৬ এবং ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হওয়ার পর এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেন। ২০০৮ সালে নির্বাচিত হলে মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী করা হয় তাকে। কিন্তু ২০১৪ সালে এমপি নির্বাচিত হলেও মন্ত্রী পরিষদে ঠাঁই 
হয়নি আর। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পদ বঞ্চিতও হন তিনি। এর আগে তিনি মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশিদের স্বর্ণের ক্রেস্ট দেয়া হয়। কিন্তু সেই ক্রেস্টে স্বর্ণ জালিয়াতি হওয়ার অভিযোগ উঠে। আর এটিই আশার কারণ হয়ে উঠেছে দলের অন্য মনোনয়ন প্রার্থীদের। মন্ত্রিত্ব, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পদ না পাওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার মনোনয়নেও বাদ পড়ছেন তাজ এমনটা ধরে নিয়ে মাঠে সক্রিয় হন ওই মনোনয়ন প্রার্থীরা। এছাড়াও গত ইউপি নির্বাচনে দলের পুরনোদের মনোনয়ন বঞ্চিত করা, পরিবারের লোকজনের প্রভাবসহ নানা কারণে তাজ বিরোধী একটা অবস্থার সৃষ্টি হয়। এসব কারণেই  বাঞ্ছারামপুর আওয়ামী লীগের কাণ্ডারি এবং ভোট রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্যাপ্টেন তাজ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। গত ক’মাস ধরেই বিভিন্ন ইউনিয়নে জনসভা-সমাবেশ করছেন মনোনয়ন প্রার্থী যুবলীগ নেতা মহি। তাজও এর সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন। মহি ৫ হাজার লোকের সমাবেশ করলে তাজ ১০-১২ হাজার লোকের সমাগম ঘটাচ্ছেন। তাদের দু’জনের মধ্যে এই প্রতিযোগিতাই চলছে। অবস্থা বিবেচনায় তাজ আর মহিই মনোনয়নের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিবেচিত হচ্ছেন এখন। যদিও মনোনয়ন পেতে সিরিয়াস সাঈদ আহমেদ বাবু ও মোস্তফা কামাল। সাঈদ আহমেদ বাবু বলেন- ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এলাকার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছি। ১২৬টি গ্রামের সব ক’টিতে আমার গণসংযোগ শেষ হয়েছে। আজ পর্যন্ত কেউ এমনটা করতে পারেনি। আমি আশাবাদী মনোনয়ন পাব। মোস্তফা কামাল বলেন, আমি মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। নেত্রীর নির্দেশই আমি এলাকায় কাজ শুরু করেছি। মহিউদ্দিন মহি ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে ফলাফল পাল্টে তাকে পরাজিত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সংসদ নির্বাচনে এই প্রথম মনোনয়ন চাইছেন তিনি। মহিউদ্দিন আহমেদ মহি বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। প্রত্যেক রাজনৈতিক কর্মীরই উদ্দেশ্য-লক্ষ্য থাকে সংসদে গিয়ে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করা। আর সে লক্ষ্যেই আমি দলের মনোনয়ন চাইছি। বাঞ্ছারামপুরের মানুষের ভালোবাসাই এক্ষত্রে আমাকে সাহসী করে তুলেছে। যাকে দিলে সিট আসবে নেত্রী তাকেই মনোনয়ন দেবেন। জনতার সমর্থন আমার প্রতি আছে বলেই আমার বিশ্বাস। আমি আশাবাদী দলের মনোনয়ন পাব। আর মনোনয়ন পেলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ রয়েছে আমার।
আর ক্যাপ্টেন অব: এবি তাজুল ইসলাম বলেছেন- বাঞ্ছারামপুরের মানুষ ও দল আমার বাইরে চিন্তা করছে না। নেত্রী কাকে মনোনয়ন দেবেন সেই তথ্য-উপাত্ত তার কাছে আছে। আমি মনে করি আমার সবকিছু ভালোই আছে। আমার বিশ্বাস নেত্রী আমার বাইরে কোনো চিন্তা করেন না। করবেনও না। ৩৫ বছর ধরে আমি বাঞ্ছারামপুর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আছি। এই সময়ে ৩ হাজার ভোট থেকে এক লাখ ভোটে এগিয়ে নিয়ে গেছি। আওয়ামী লীগের এমন কোনো নেতা নেই যার গলার আওয়াজ শুনে আমি বলে দিতে পারি না তার নাম কি। আমরা শতফুল ফুটতে দেও নীতিতে বিশ্বাসী। এমন মানসিকতা আমাদের নেই যে কারো গলাচিপে ধরবো। আমিতো কিয়ামত পর্যন্ত নির্বাচন করবো না। মনোনয়ন চাইতেই পারে। তবে কিছু লোক যে ঘুরাফিরা করছে তাতে মানুষ ক্ষেপে রয়েছে। তারা বলছে তাজ তো এখনো মরেনি। তোমরা কিসের জন্য আস। জনগণ তাদের পছন্দ করছে না। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো বাঞ্ছারামপুর আওয়ামী লীগ একটি কোন্দল বিহীন সংগঠন। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ। দলের অবস্থা এ-ওয়ান কন্ডিশনে আছে। নানা অভিযোগের জবাবে তাজ বলেন- ক্রেস্ট প্রদানের জন্য যে জাতীয় কমিটি হয়েছিল সেখানে তো আমি মেম্বারই ছিলাম না। এ নিয়ে দফায় দফায় তদন্ত হয়েছে। কিন্তু কোথাও আমার ব্যর্থতা বা অবহেলা খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় রাজনীতিতে জড়িত। এটাই ছিল হিংসার কারণ। মন্ত্রীতো অনেকেই হননি। নেত্রী কয়জনকে মন্ত্রী বানাবেন। আমি কেন্দ্রীয় কমিটিতে একই পদে তিন বার ছিলাম। আমার প্রমোশন না হওয়ায় আমি থাকতে চাইনি। ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান মনোনয়নে আমার কোনো চয়েজ ছিল না। দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই প্রার্থী ঠিক করেছেন। বাঞ্ছারামপুর আওয়ামী লীগের সবাই আমার পরিবার।
বাঞ্ছারামপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,বাঞ্ছারামপুরের উন্নয়নের কথা যদি আমাকে বলতে হয় তাহলে কষ্ট লাগে। বাংলাদেশে বাঞ্ছারামপুর থেকে বেশি উন্নয়ন কোন উপজেলায় হয়েছে।
যখন হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম, ইউনিভার্সিটিতে পড়েছি তখনও তো  লুঙ্গি পরে বাড়ি থেকে রওনা দিতাম। একহাতে ব্যাগ আরেক হাতে স্যান্ডেল নিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। এখানে গোদারা, সেখানে গোদারা। সেইগুলো অতিক্রম করে আজকে বাঞ্ছারামপুর কোথায় পৌঁছেছে। এমন কোনো গ্রাম আছে কি যেখানে গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায় না। আগে ৭ ঘণ্টায় আমরা ঢাকা আসতাম। এখন দুই ঘণ্টায় যেতে পারছি। সকালে এসে বিকেলে চলে যেতে পারছে। আমি সুন্দরের জন্য একটা ব্রিজ করেছি ক’দিন আগে। এটি শুধু একটি উন্নয়ন নয়। এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করেছে। মানুষ সেখানে যায়। ৭০-৮০টি চটপটির দোকানই বসে সেতুতে। এক-দেড়মণ চিনাবাদাম বেচা হয় প্রতিদিন। এটা ইউনিক কনস্ট্রাকশন। এলাকায় এমন কোনো স্কুল আছে যেখানে বিল্ডিং নেই। একটা উপজেলা সদরে দুটি অডিটরিয়াম আছে। যা ফুল এয়ারকন্ডিশন।
অন্যদিকে বিএনপির সাবেক এমপি আবদুল খালেকের বিপরীতে দলের মনোনয়ন চাইছেন আরো কয়েকজন। তবে তাদের মধ্যে দু’জন ছাড়া এলাকায় আর কারো যোগাযোগ নেই। কোনো প্রচারণাও নেই। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভরাডুবির পর সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে সরে যান। এরপর ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির কমিটি ভেঙে ডা. রফিকুল ইসলাম খোকনকে আহবায়ক করা হয়। আব্দুল খালেক ২০১২ সাল থেকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে গত প্রায় ৬ বছর ধরে এখানে বিএনপির দৃশ্যমান কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এই সময়ে দলীয় বিভিন্ন সভা, কমিটি গঠন হয়েছে ঢাকায় বসে। এই অবস্থায় বিএনপির নতুন মুখ হিসেবে মাঠে আসেন কৃষিবিদ ও ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান পলাশ। মনোনয়নের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচিত হচ্ছে তার নাম। সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেকও গত কয়েক মাস ধরে তৎপর। এছাড়া বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার দলের মনোনয়ন চান এ আসনে। কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, আমিই একমাত্র ব্যক্তি বাঞ্ছারামপুরে গিয়ে স্বশরীরে নেত্রীর মুক্তির দাবিতে পোস্টার-ব্যানার লাগিয়েছি, লিফলেট বিতরণ করেছি। নেত্রীর মুক্তির জন্য একাধিকবার প্রোগ্রাম করেছি। ঢাকায়ও নেত্রীর মুক্তির জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে প্রতি মাসে একাধিক প্রোগ্রাম করেছি। সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক বলেন- নির্বাচন হলে আর মনোনয়ন পেলে নির্বাচন অবশ্যই করবো। মনোনয়নের এমন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আমি দেখি না। যারা আছে তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই, পপুলারিটিও নেই। ইলেকশন এলে সবাই চেষ্টা করে শর্টকার্ট ওয়েতে পাওয়া যায় কিনা। তিনি আরো বলেন, এই আসন বিএনপির ঘাঁটি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৭০ ভাগ ভোট পাবে বিএনপি।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রাতে থমথমে নয়াপল্টন

দলের সিদ্ধান্ত না মানলে আজীবন বহিষ্কার

তাহলে বলে দিক, নির্বাচন করো না

৩ সপ্তাহ ভোট পেছানোর দাবি ঐক্যফ্রন্টের বিবেচনার আশ্বাস ইসির

ফের হেলমেট বাহিনী!

নয়াপল্টনে শোডাউন আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়: ইসি সচিব

হামলাকারীরা ছাত্রলীগের

মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা

ভোট একদিনও পেছানো ঠিক হবে না

পুলিশের ওপর হামলা পরিকল্পিত- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে জটিলতা

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের খসড়া ইশতেহারে ৫ প্রতিশ্রুতি

ঘরের আগুনে পুড়ছে আওয়ামী লীগ, বিকল্প নেই খসরুর

নবীগঞ্জে মহাজোট প্রার্থী নিয়ে চমক

মনিরুল হক চৌধুরী অসুস্থ, জামিন মেলেনি

অর্ধশতাধিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবার নির্বাচনী মাঠে