বরিশালের উজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল থেকে | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার, ১:৪৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৪৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে (৪০) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের কারফা বাজারে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু কারফা এলাকার শুকলাল হালদারের ছেলে।  

এ ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুসের ব্যক্তিগত সহকারীকে দায়ী করেছেন ক্ষমতাসীনদের একাংশ। তালুকদার ইউনুস অভিযুক্তদের গ্রেফতার দাবী করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু কারফা বাজারে কাপড়ের দোকানে ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি মোটরসাইকেল দোকানের সামনে থামে। মোটরসাইকেলে ৩ আরোহী হেলমেট পরিহিত ছিলেন।
এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই একজন তাকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এরপর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে অবস্থা খারাপ দেখে তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে শাবিমেকে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু’র শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৫টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করতে পুরো এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, উজিরপুরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে দুটি গ্রুপ রয়েছে। দলীয় অন্তঃদ্বন্দ্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হচ্ছে।

এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল এই ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সাঈদ  সহ অন্যান্যদের দায়ী করেছেন।

হত্যার রাজনীতি করেন না দাবী করে স্থানীয় সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস অভিযুক্তদের সনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০৯-২২ ০১:০০:২৮

কেউ ডাকঢোল পিঠিয়ে বলে না সে হত্যার রাজনীতি করে। গোপনে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। জনগণ সরাসরি সাংসদকে দায়ীও করছে না যদিও তিনি সাফাই গাইলেন। তার ব্যক্তিগত সহকারী ভিন্ন ব্যক্তি এবং পৃথক ভাবে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। যে জন্য সাংসদ হয়ত দায়ী নন। কিন্তু দলাদলি বন্ধ করতে তিনি ব্যর্থ। এর দায় সাংসদের। নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে দলীয় কুন্দল যত বাড়ছে বিরোধী দল শক্তিশালী হচ্ছে । দলের ভরাডুবির দায় হবে সাংসদের।

আপনার মতামত দিন

বোরকা পরে নারীদের টয়লেটে, অতঃপর...

প্রকাশ্যেই ইউরোপকে ভর্ৎসনা করলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

‘পরীক্ষার কারণে অনেক কিছু করতে পারছি না’

প্রথম যাত্রাতেই বিকল ভারতের দ্রুতগামী ট্রেন

কেমন আছেন স্লামডগের সেই রুবিনা

গ্যাস বন্ধ অর্ধেক ঢাকায় তীব্র দুর্ভোগ

ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার যৌন সম্পর্ক

বিদায় সোনালী কাবিন-এর কবি

প্রথম ধাপের আখেরি মোনাজাতে কল্যাণের ফরিয়াদ

অ্যামাজনকে টেক্কা দিতে চান বাংলাদেশি ইমরান

জীবন ভিক্ষা চাইলেন আমান

গণশুনানির জন্য হল পাচ্ছে না ঐক্যফ্রন্ট

মঞ্জু মুখ খুললেন

যানজটে বিশ্বের শীর্ষ শহর ঢাকা

আইসিসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীর

মেহেদীর রং না মুছতেই ঘাতক বাস কেড়ে নিলো তাসনিমকে