সেপ্টেম্বরে ৩৫০০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির

প্রথম পাতা

আব্দুল আলীম | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৯
হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কোনো কর্মসূচি নেই। মাঠের রাজনীতিও শান্ত। তারপরও থেমে নেই ধরপাকড়। খালেদা জিয়ার মামলা ও সুচিকিৎসার দাবিতে বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতীকী অনশনের মতো নিরীহ কর্মসূচির ভেতরেও গ্রেপ্তার ও মামলার হিড়িক চলছে সারা দেশে। গত ১লা সেপ্টেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির ৩৫০০-এর বেশি নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে জানিয়েছে  বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর। দলটির সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, গ্রেপ্তারের পাশাপাশি নামে বেনামে মামলা হয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি। যাতে আসামি করা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ নেতাকর্মীকে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ গতকাল এ তথ্য জানান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- দুই দিন ধরে বিএনপির দপ্তর সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সম্পাদক ও সহসম্পাদকরা এক নাগাড়ে কাজ করে ২০০৭ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত গ্রেপ্তার ও মামলা-হামলার তথ্য চূড়ান্ত করে।
গ্রেপ্তার ও মামলা-হামলার চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেছে- ২০০৭ সাল থেকে ১২ই সেপ্টেম্বরের আগ পর্যন্ত সারা দেশে ৮৩ হাজার ৩৩৩টি মামলায় আসামি করা হয়েছে ২১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে। ৩২৩৫টি মামলায় আসামি করা হয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার নেতাকর্মীকে।

তবে, তালিকা চূড়ান্ত করার পর গতকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৩৫০০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দলটির নেতারা। একই সঙ্গে মামলা ও আসামির সংখ্যাও বেড়ে গেছে।
নিউ ইয়র্কে পাঠানো গ্রেপ্তার ও মামলা হামলার তথ্যে দেখা যায়, ২০০৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত রংপুর বিভাগে মামলা হয়েছে ৩৮০৮টি, ঢাকা বিভাগে ৯১২৬টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩৯৭টি, বরিশাল বিভাগে ৭০২৬টি, খুলনা বিভাগে ৯৮১৯টি, সিলেট বিভাগে ২৩৪৯টি, ঢাকা মহানগর ১৫১৪২টি, রাজশাহী মহানগরে ২১০টি, খুলনা মহানগরে ৬৯৮টি, চট্টগ্রাম মহানগরে ১৮৩৬টি, সিলেট মহানগরে ৪৫৬টি, বরিশাল মহানগরে ৫৭৬টি ও রংপুর মহানগরে ৪০৪টি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মানবজমিনকে বলেন, সারা দেশের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে ১লা সেপ্টেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। নামে বেনামে প্রায় তিন লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৫০০ এর অধিক নেতাকর্মীকে।

বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু মানবজমিনকে বলেন, এই মুহূর্তে শুধু আওয়ামী লীগের নেতা ও পুলিশ ছাড়া আর কেউ নিরাপদ নয়। কারণ অজ্ঞাতনামা মামলা করে এলাকাভিত্তিক রেইট দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এমনকি আওয়ামী লীগ সমর্থকরা গ্রেপ্তারের ভেতরে পড়ছে। তাই কোনটা আমাদের নেতাকর্মী তা বের করা কঠিন। এই জন্য আমরা মামলার এজহার দেখে নিজেদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বের করছি।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘হামলা চালিয়েছে পুলিশ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে’

স্পিকারের ঘোষণা: পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন রাজাপাকসে

বিনা উস্কানিতে পুলিশের ওপর হামলা:ডিসি মতিঝিল

একপক্ষ নির্বাচন করবে, আর আমরা আদালতে আসবো তা হতে পারে না

ছররা গুলির স্প্লিন্টারে আহত মানবজমিন প্রতিবেদক রুদ্র মিজান

‘নয়া পল্টনে সরকারের পরিকল্পিত হামলা’

ফের হেলমেট বাহিনী!

গণভবন ঘিরে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল

রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা ক্ষমার অযোগ্য

তৃতীয় দিনেও বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনতে উপচে পড়া ভিড়

পশ্চিমবঙ্গের নাম বাংলা করা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের আপত্তি

সরকারী টাকায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার বন্ধের দাবি বিএনপির

২৮ বছর বয়সেই ফোর্বস ম্যাগাজিনে নাম!

ট্রেন চলাচল বন্ধ

কক্সবাজারে উজ্জ্বীবিত বিএনপি

ডিসেম্বরে শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় শ্রীলঙ্কা সুপ্রিম কোর্টের