বিজিএমইএ’র প্রস্তাবে অস্বস্তিতে রাজউক

এক্সক্লুসিভ

দীন ইসলাম | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
দুইটি শিডিউল ব্যাংক ও নিজেদের সদস্যদের কাছে ফ্লোর স্পেস বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করতে চায় তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ। এ জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের লিজ দলিলের ২২ নং ধারা বাতিল বা পরিবর্তন চায় প্রতিষ্ঠানটি। এনিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে রাজউক। বিষয়টি নিয়ে রাজউকের ০৫/২০১৮তম বোর্ড সভায় নেতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এতেও দমবার পাত্র নয় বিজিএমইএ। নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের লিজ দলিলের ২২ নং ধারা বাতিল বা পরিবর্তন চেয়ে রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে। এর বিপরীতে রাজউকের ১০/২০১৮তম বোর্ড সভায় বিষয়টি সম্পর্কে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুশাসন চেয়ে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৯শে মার্চ ১১০ কাঠা আয়তনের জমি বরাদ্দ দিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারাস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনকে সাময়িক নির্বাচনপত্র দেয় রাজউক।
এরপর বিজিএমইএকে একই বছরের ২৪শে এপ্রিল সম্প্রসারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব আবাসিক এলাকার ১৭/এইচ ১ নং সেক্টরের এভিনিউ ০৬ ও লেক ড্রাইভ রাস্তার ১১০ কাঠা আয়তনের ৭ ও ৭ এ নং প্রাতিষ্ঠানিক প্লটটি বিজিএমইএ’র অনুকূলে চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র দেয়া হয়। ২৯শে জুনের মধ্যে বরাদ্দকৃত প্লটের মূল্য এককালীন ২২ কোটি টাকা পরিশোধের জন্য বলা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কিস্তির অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এরপর বিজিএমইএ’র আবেদনের ভিত্তিতে দুই দফায় তিন মাস সময় বাড়ানো হয়। এরপর ২০১৭ সালের জুলাই মাসের প্রথমদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিজিএমইএ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বরাদ্দকৃত জমির অর্ধেক মূল্য মওকুফের আবেদন করেন। ওই আবেদনে তারা বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কারণে তাদের ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন। এরপর একই বছরের ১৭ই জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রসারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব আবাসিক এলাকার ১৭/এইচ১ নং সেক্টরের এভিনিউ ০৬ ও লেক ড্রাইভ রাস্তার ১১০ কাঠা আয়তনের ৭ ও ৭ এ নং প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের প্রাক্কলিত মূল্যের অর্ধেক মূল্য মওকুফের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সদয় নির্দেশনা জ্ঞাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এর ভিত্তিতে ১১ কোটি টাকা দিয়ে বিজিএমইএ প্লট বরাদ্দ নিয়েছে। গেল বছরের ৪ঠা অক্টোবর ৫ বিঘা ১০ কাঠা আয়তনের প্লটের দখল নিয়েছে তারা। এরপর ৩০শে অক্টোবর প্লটটির লিজ দলিল রেজিস্ট্রি করেছে বিজিএমইএ। এরপর থেকে ফ্লোর স্পেস বিক্রি করতে রাজউকের কাছে অনুমোদন চেয়ে আসছে তারা। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে মন্ত্রণালয়ের অনুশাসনের জন্য পাঠানো হলো।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নির্বাচন বর্জন নয়, কেন্দ্র পাহারা দিন

হঠাৎ কবিতা খানমের সুর বদল

ফাঁকা মাঠে গোল নয়

রেজা কিবরিয়া ঐক্যফ্রন্টে

সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের নির্বাচনে মনোনয়ন না দেয়ার দাবি

‘ফের বাংলাদেশের বিরুদ্ধে’

মামলার বাদী যখন খুনি

ক্ষমতায় গেলে যেসব কাজ করবে ঐক্যফ্রন্ট জানালেন ডা. জাফরুল্লাহ

‘নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে’

বিএনপিতে মনোনয়ন যুদ্ধে সাবেক ছাত্র নেতারা

তলাফাটা নৌকা নিয়ে কতদূর যেতে পারেন দেখাতে চাই

সিলেটে জামায়াতকে ছাড় দিতে চায় না বিএনপি

রাষ্ট্র ভিন্নমতাবলম্বীদের সহ্য করতে পারছে না

নয়া মার্কিন দূত মিলার ঢাকা আসছেন আজ

দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে নাগরিক ঐক্য

ভোট পর্যবেক্ষণের আবেদন ২১ নভেম্বরের মধ্যে