জেনে নিন কয়েকটি যৌনরোগ সম্পর্কিত তথ্য

রকমারি

| ২৭ আগস্ট ২০১৮, সোমবার
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নিবারণ কেন্দ্র বা সিডিসি-র মতে, যৌনরোগ এড়ানোর সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপায় যৌনমিলন না করা৷ কয়েকটি যৌনরোগ সম্পর্কে তথ্য৷

গনোরিয়া
গনোরিয়া আছে এমন কারুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হলে গনোরিয়া হতে পারে৷ এই রোগে আক্রান্ত মা থেকে নবজাতকের শরীরে এই জীবাণু প্রবেশ করতে পারে৷ পুরুষ ও নারী, বিশেষ করে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সিরা গনোরিয়ায় আক্রান্ত হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নিবারণ কেন্দ্র (সিডিসি)৷ গনোরিয়া হলে মূত্রত্যাগের সময় জ্বালাপোড়া ও যৌনাঙ্গ দিয়ে সাদা, হলুদ ও সবুজ স্রাব বের হতে পারে৷

সিফিলিস
গনোরিয়ার মতো সিফিলিসের জীবাণুও মা থেকে নবজাতকের দেহে ঢুকতে পারে৷ চিকিৎসা না করলে সিফিলিস থেকে দীর্ঘমেয়াদে জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে সিডিসি৷ সিফিলিসের লক্ষণ: প্রাথমিক পর্যায়ে যন্ত্রণা ও চুলকানিবিহীন ক্ষত হতে পারে, দ্বিতীয় পর্যায়ে মুখ, যোনি কিংবা মলদ্বারে ব়্যাশ বা ক্ষত হতে পারে৷ শেষ পর্যায়ে প্যারালিসিস থেকে অন্ধত্ব, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে৷

জেনিটাল হার্পিস
যৌনকাজে সক্রিয় যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে৷ আক্রান্তদের অনেকের শরীরে এই রোগের লক্ষণ দেখা যায় না৷ অর্থাৎ কারও শরীরে এই রোগের লক্ষণ না থাকলেও তিনি সঙ্গীর দেহে এটি ছড়িয়ে দিতে পারেন৷ লক্ষণগুলো হলো – যৌনাঙ্গ, মলদ্বার ও মুখে একটি বা দু’টি ফোস্কা পড়তে পারে৷ সেগুলো ভেঙে গিয়ে ব্যথা হতে পারে৷ সেই ব্যথা সারতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে৷

এইচআইভি/এইডস
যাদের সিফিলিস, গনোরিয়া ও হার্পিস আছে তাদের ভবিষ্যতে এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে৷ কারণ রোগগুলো একইরকম যৌন আচরণের জন্য হয়ে থাকে৷ এইচআইভি-তে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম দু’টি কারণ: কনডম ছাড়া যৌনমিলন এবং একাধিক ও অপরিচিত কারও সঙ্গে মিলন৷ তবে এইচআইভি-তে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি বা কোনো এইডস রোগীর রক্ত আপনার শরীরে ঢুকলেও এই রোগ হয়৷

ক্লেমিডিয়া
পুরুষ ও নারীর উভয়েরই এটি হতে পারে৷ নারীর গর্ভধারণ ক্ষমতায় স্থায়ী সমস্যা তৈরি করতে পারে ক্লেমিডিয়া৷ এই রোগের একবার চিকিৎসা হলেও পরবর্তীতে আবারও এটি হতে পারে৷ এমনটি হলো নারীদের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক অথবা অনিয়মিত ঋতুস্রাব, মূত্র ত্যাগের সময় জ্বলাপোড়া হতে পারে৷ পুরুষের বেলাতেও প্রায় একই ধরণের লক্ষণ দেখা দেয়৷

শ্যানক্রয়েড
এর ফলে যৌনাঙ্গে যন্ত্রণাদায়ক ঘা দেখা দেয়৷ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়৷ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এটি বেশি দেখা যায়৷ এর সঙ্গে যৌনকর্মীদের একটি সম্পর্ক রয়েছে, কারণ দেখা গেছে যাদের শ্যানক্রয়েড হয়েছে তারা কোকেন ব্যবহার করেছেন কিংবা পতিতালয়ে গেছেন৷ উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে রোগাক্রান্তদের পুরুষাঙ্গের ছিদ্র সরু হয়ে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে৷

জিকা ভাইরাস
সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত এই রোগের জন্য সাধারণত মশাই দায়ী৷ তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সিডিসি বলছে, যৌন মিলনের মাধ্যমেও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে৷

সুত্রঃ DW



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

এস কে সিনহার বই ‘অ্যা ব্রোকেন ড্রিম’

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

‘আদালতে যাওয়ার মতো সুস্থ নন তিনি’

ফোনে তামিমকে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

৫ দিনের রিমান্ডে হাবিব-উন নবী সোহেল

ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন

আগাম জামিন পেলেন তরিকুল-খন্দকার মাহবুব-রেজাক খান

রায় স্থগিত, মুক্তি পাচ্ছেন নওয়াজ শরীফ

আসামী ছিনতাইয়ের মামলায় সোহেল গ্রেপ্তার: পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যিক যুদ্ধে জিতবে কে!

‘রাজপথেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে’

আপত্তি উপেক্ষা করেই আজ সংসদে পাস হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল

ক্রিস্টিন ফোর্ডের যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং...

কুড়িগ্রামে কিশোর-কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

রাখঢাক রাখছেন না পর্নো তারকা ডানিয়েল স্টর্মি