কলকাতায় বাংলা ধারাবাহিকের শুটিং বন্ধ

বিনোদন

কলকাতা প্রতিনিধি | ২১ আগস্ট ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:০৬
বকেয়া পারিশ্রমিক এবং কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা দাবিতে গত দু’মাসে দুবার শুটিং বন্ধ হয়েছে বাংলা ধারাবাহিকের। গত  শনিবার থেকে টালিগঞ্জে প্রতিদান, রাণী রাসমনি, কুসুমদোলা, ফাগুন বৌ, সাত ভাই চম্পা, অন্দরমহল-র  মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকের শুটিং বন্ধ হয়ে রয়েছে। বাংলা ধারাবাহিকের শিল্পী সংগঠন বা আর্টিস্ট ফোরামের সদস্যদের প্রতিবাদের জেরে বন্ধ শুটিং ।

অনির্দিষ্টকালীন এই ধর্মঘটের সমাধান সূত্রের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। ফলে সোমবার অধিকাংশ ধারাবাহিকের সম্প্রচারের পরিবর্তে পুরনো এপিসোডকে এদিক ওদিক করে দেখানো হয়েছে। আর্টিস্ট ফোরামের মূল অভিযোগ, বেশ কিছু ধারাবাহিকের অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং টেকনিশিয়ানদের পারিশ্রমিক বকেয়া রয়েছে। তা না মেটানো পর্যন্ত শুটিংয়ে অংশ নিতে চাননি তারা। অভিযোগ, মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা প্রযোজক সংস্থার।


কিন্তু বেশ কিছু হাউজ সেই নিয়ম মানছে না বলে অভিযোগ। সোমবার বিকেলে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী প্রমুখ। প্রসেনজিৎ ্ বলেছেন, টেকনিশিয়ানদের অনেক টাকা বকেয়া রয়েছে। ফেডারেশন এবং আর্টিস্ট ফোরামের তরফে গত ৭ই জুলাই একটা চুক্তিপত্রে আমরা সই করেছিলাম। সেখানে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল।

আর্টিস্ট ফোরামের তরফে আমরা অনুরোধ করেছিলাম কাজটা শুরু হোক। কিন্তু পরে অনেকে বলেছেন আমরা ওই চুক্তি মানি না। শিল্পী অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, বেশ কিছু প্রযোজক শিল্পীর ন্যয্য পাওনা কেটে সেটা পরে জমা করছেন না। প্রবীণ অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, আর্টিস্ট ফোরামের যে দাবি, টাকা সময়মতো দেওয়া বা নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করানো, সবটাই যুক্তিসঙ্গত। তবে আন্দোলনের ফলে ইন্ডাস্ট্রিতে সঙ্কটের আশঙ্কায় তিনি উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, যেভাবে সিরিয়াল পাড়ায় কাজ হয় সেটা একেবারেই ঠিক নয়।

প্রযোজক, আর্টিস্ট কারও দিক থেকেই নয়। দেখুন, মূল চরিত্র যিনি করেন তিনি অন্য সিরিয়াল করতে পারেন না। আবার একদল আছেন যাঁরা মূল চরিত্র করেন না, তারা কিন্তু তিনাট সিরিয়াল করতে পারছেন। কে একটা করবে আর কে তিনটি, সেটা প্রযাজকের  সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের নিরিখে তৈরি হয়। সবার ক্ষেত্রে যাতে একটা নিয়ম হয় সেটার জন্যই এই ধর্মঘট। এর সমাধান হওয়া দরকার। মধ্যস্থতা করে সবটা পেশাদার করা দরকার।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রক্তাক্ত লঙ্কা পেছনে কারা?

দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি নেই

পাসপোর্ট বইয়ের সংকটে দুর্ভোগ চরমে

দগ্ধ তরুণীকে বাঁচানো গেল না

শেয়ারবাজারে উত্থান পতনের পেছনে কেউ জড়িত

ব্রুনাইয়ের সঙ্গে ৬ সমঝোতা সই

রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, চিকিৎসক আটক

ব্যারিস্টার আমিনুল হকের দাফন আজ

কালা মিয়ার কাটা পা এখনো উদ্ধার হয়নি

সঞ্চয়পত্রে ঝোঁক সবার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সরকারের

শবেবরাত পালিত

অমিত শাহ বললেন বাংলাদেশি হলেই নাগরিকত্ব!

পশ্চিমবঙ্গে ৯২ শতাংশ বুথে আধা সামরিক বাহিনী

গণআন্দোলনের প্রস্তুতি নিন: মোশাররফ

ঋণখেলাপিদের আরো বড় ছাড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের