১০ লাখ উইঘুরকে বন্দী রাখার অভিযোগ অস্বীকার চীনের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ আগস্ট ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৪৭
চীনের শিনজিয়াং-এ উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রায় ১০ লাখ লোককে আটক রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দেশটির সরকার। কর্তৃপক্ষ বলেছে, এ ধরণের যেসব খবর বের হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অসত্য’। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
জেনেভায় জাতিসংঘের একটি বৈঠকে চীনের কর্মকর্তারা বলেন, উইঘুর সম্প্রদায় চীনে পরিপূর্ণ অধিকার ভোগ করে, তবে ‘যারা চরমপন্থার প্রতারণার শিকার হয়েছে, তাদেরকে পুনর্বাসন ও পুনঃশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
খবরে বলা হয়, উইঘুর সম্প্রদায় নিয়ে চীনের এই ধরণের স্বীকারোক্তি বেশ বিরল। শিংজিয়াং অঞ্চল উইঘুরদের জন্য গণবন্দীশালায় পরিণত হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশের পর এই প্রতিক্রিয়া জানায় চীন। শিনজিয়াং অঙ্গরাজ্যেই মূলত উইঘুর মুসলিমদের বসবাস। এই অঙ্গরাজ্যে বিরতি দিয়ে সহিংসতা ঘটেছে। চীনের অভিযোগ, ইসলামি জঙ্গী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এই অঞ্চলে ঝামেলা সৃষ্টি করছে।
খবরে বলা হয়, বর্ণবাদী বৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক জাতিসংঘের একটি কমিটির দুই দিন ব্যাপী বৈঠকে চীন ৫০ সদস্যবিশিষ্ট শক্তিশালী প্রতিনিধিদল পাঠায়। শুক্রবার কমিটির সদস্য গে ম্যাকডগাল বলেন, উইঘুর স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলকে গণবন্দীশালায় রূপান্তরিত করা হয়েছে বলে যেসব খবর বেরিয়েছে তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন।
তার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চীনের শাসক দলের ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক হু লিয়ানহি বলেন, ‘উইঘুর সহ শিনজিয়াং-এর সকল নাগরিক সমান স্বাধীনতা ও অধিকার ভোগ করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ১০ লাখ উইঘুরকে পুনঃশিক্ষাকেন্দ্রে বন্দী রাখা হয়েছে, এ ধরণের বক্তব্য সম্পুর্ণ অসত্য।’ তবে তিনি এ ধরণের পুনর্বাসন কিংবা পুনঃশিক্ষাকেন্দ্রের অস্তিত্ব থাকার কথা স্বীকার করেন।
সাংবাদিকরা বলছেন, শিনজিয়াং-এর পরিস্থিতি নিয়ে চীনের এ ধরণের প্রকাশ্য কৈফিয়ত বেশ অস্বাভাবিক।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা শিনজিয়াং-এ নেয়া কঠোর নিরাপত্তা পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নিবন্ধ ছাপিয়েছে। এতে বলা হয়, এই কঠোর পদক্ষেপের ফলেই ওই অঞ্চল চীনের ‘সিরিয়া কিংবা লিবিয়া’ হওয়ার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে। এক সম্পাদকীয়তে পত্রিকাটি লিখেছে, ‘শিনজিয়াং-এর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটায় সেখানে বিরাট এক ট্রাজেডি এড়ানো ও অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।’
তবে গে ম্যাকডগাল এ বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তিনি চীনের প্রতিনিধির প্রতি প্রশ্ন রাখেন, ‘আপনি বলেছেন, ১০ লাখ বন্দির বিষয়ে আমার বক্তব্য ভুল ছিল। তাহলে বন্দির আসল সংখ্যা কত? দয়া করে আমাকে বলুন। কোন আইনের অধীনে তাদেরকে বন্দি রাখা হয়েছে।’



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সাইবার নিরাপত্তা মন্ত্রী জীবনেও কম্পিউটার চালাননি

নরসিংদীতে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলি, নিহত ৪

জাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘মি টু’ হাশট্যাগে যৌন হয়রানির অভিযোগ

৫ দিনের রিমান্ডে নিপুণ রায় চৌধুরী

‘একদিনের গণতন্ত্র নয়, সাচ্চা গণতন্ত্র চাই’

ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানলে মৃতের সংখ্যা ৬৩, নিখোঁজ ৬৩১

বিষাক্ত পটকা মাছ খেয়ে চট্টগ্রামে দাদী-নাতনীর মৃত্যু

খাসোগি হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড চায় সৌদি আরব

রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশকে দায়ী করছে মিয়ানমার

শেষ দিনেও উপচে পড়া ভিড়

‘নির্বাচনী আবহ সৃষ্টি হলেও শঙ্কায় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী’

রোববার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেবে বিএনপি

‘ইসি ভবন আওয়ামী লীগের অফিসে পরিণত হয়েছে’

‘জরিপ ও সমীক্ষায় বিএনপির চেয়ে এগিয়ে আওয়ামী লীগ’

তফসিলের পর ৪৭২ জন গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না: কবিতা খানম