ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ধর্মগুরু আশারাম

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৫ এপ্রিল ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:১৩
ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু আশারাম বাপু। অভিযোগ আছে, তিনি ২০১৩ সালে নিজের আশ্রমে একজন টিনেজারকে ধর্ষণ করেছেন। এ নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলায় ওই ধর্মগুরুকে অভিযুক্ত করা হয় বুধবার। এদিন যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগার চত্বরে মামলার রায় ঘোষণা করেন স্পেশাল জজ মধুসুধন শর্মা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। এতে বলা হয়, মধ্য প্রদেশের ছিন্দওয়ারায় ওই ধর্মগুরুর আশ্রমে থেকে পড়াশোনা করতো উত্তর প্রদেশের শাহাজাহানপুরের ওই বালিকা। কিন্তু ২০১৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতে তাকে ধর্ষণ করে আশারাম বাপু।
এ বিষয়ে ওই বালিকা অভিযোগ করেছে। বলেছে, যোধপুরের কাছে মানাই এলাকায় নিজের আশ্রমে ওইদিন তাকে ডেকে নেয় আশারাম। সেখানেই রাতে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আশারাম ও তার চার সহযোগী শিবা, শিল্পী, সরোদ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৬ই নভেম্বর চার্জশিট দেয় পুলিশ। ফলে ইন্ডোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৭৭ বছর বয়সী আশারামকে। ২০১৩ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় যোধপুরে। ২রা সেপ্টেম্বর থেকেই তিনি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। ২০১৩ সালের ২১ শে আগস্ট। দিল্লি পুলিশের একটি দল, ধর্ষিতা ও তার পিতা গিয়ে হাজির হন পুলিশ কর্মকর্তা অজয় পাল লাম্বার অফিসে। অজয় পাল লাম্বা তখন ছিলেন যোধপুর পশ্চিমের উপ পুলিশ কমিশনার। তার কাছে ওই বালিকা তার ওপর চালানো যৌন নিপীড়নের কথা বর্ণনা করে। এ বিষয়ে অজয় পাল লাম্বা বলেন, প্রথমে আমি ওই পরিবারটির অভিযোগ বিশ্বাস করতে পারি নি। মনে হয়েছিল তারা একজন বড়মাপের মানুষের মানহানী করতে চাইছেন। কিন্তু আমি ভুল প্রমাণ হয়ে গেলাম। বালিকাটি আমাকে আশারামের আশ্রমের যথাযথ ঠিকানা, ম্যাপ বলে দিলো। দেখিয়ে দিলো কোন রুমে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। তখন আমার মনে হয়েছে, কেউ যদি ওই রুমে না গিয়ে থাকে তাহলে কিভাবে সে ওই রুমের ম্যাপ, কোথায় তা তার সবকিছু যথাযথভাবে বলে দিতে পারে। অনুসন্ধানে এটাই ছিল আমাদের মূল পয়েন্ট। এরপর মিরাটের আরেকটি পরিবার আশারামের বিরুদ্ধে একই রকম অভিযোগ নিয়ে আসে। এ অবস্থায় আমরা ওই পরিবারটির সঙ্গে সাক্ষাত করি। তারা জানায়, তারা নিজেরা কোনো অভিযোগ করতে চায় না। এটা ছিল ঘটনা তদন্তের আরেকটি পয়েন্ট। এরপরে ৩১ শে আগস্ট আসে নতুন তথ্য। আমরা দেখতে পাই আশারাম কোথায় তার কোনো হসিদ নেই। ইন্ডোরে তার আশ্রমে পাঁচ জন পুলিশ ও ৬ জন কমান্ডো মোতায়েন করা হয়। এরপরে আমরা যোধপুরে সংবাদ সম্মেলন করি। জানান দিই যে, আশারাম আমাদের রাডারে রয়েছে। অকস্মাৎ ৩১ শে আগস্ট বিকালে ভুপালে একটি বিমানবন্দরে দেখা যায় আশারামকে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিষয়টি মিডিয়াকে অবহিত করি। তারা আশারামকে ধরতে সহায়তা করে। আমাদের টিম বিষয়টি জানতে পেরেছে তা বুঝতে পারেন নি আশারাম। তিনি পৌঁছে যান তার ইন্ডোর আশ্রমে। এ সময় পুলিশ গিয়ে উপস্থিত হয়। তখন আশারাম ও তার অনুসারীরা পুলিশকে নানা প্রলোভন দেয়। বলে তার সম্পত্তির পুরোটাই তিনি দিয়ে দেবেন। কিন্তু সেই ফাঁদে পা দেয় নি পুলিশ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

চ্যারিটেবলের রায় আগে লেখা হয়েছে: নজরুল

‘অনু মালিক তাকে চুমু দিতে বলেছিলেন’

মাহবুব তালুকদারের প্রস্তাব সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক: কবিতা খানম

শাহবাগে ‘অবস্থান’ কর্মসূচি ঘোষণা সাধারণ ছাত্র পরিষদের

ক্রিমিয়ায় কলেজে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ১৮

মহাঅষ্টমীতে কুমারী পূজা সম্পন্ন

পুলিশের ‘গায়েবি মামলা’ প্রবণতায় টিআইবি’র উদ্বেগ

সম্পাদক পরিষদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন সাংবাদিক নেতাদের

পদত্যাগ করলেন এম জে আকবর

এইচটি ইমাম অসুস্থ, হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়েছে

ম্যান বুকার পেলেন আইরিশ লেখিকা আনা বার্নস

ইঁদুর গিলছে ধান!

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে

লাহোরে শিশু জয়নাবের ধর্ষক ও হত্যাকারীর ফাঁসি কার্যকর

বাহুবলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক আটক

তিতাসের ৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত