আহত-নিহতদের পরিবারের খোঁজ নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ মার্চ ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের কার কী প্রয়োজন, সেই খোঁজ নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল গণভবনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, সাধ্যমতো চেষ্টা করছি, পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার। তাদের কার কী প্রয়োজন, তা দেখার নির্দেশ দিয়েছি। গত সোমবার (১২ই মার্চ) চার ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ মোট ৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর দু’টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে সেটি বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫০ জন।
এর মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিক ২৬ জন। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পরিকল্পনা কমিশনের দুজন অফিসার সেই বিমানে সেমিনারে যাচ্ছিলেন। আমরা তাদের হারিয়েছি। সিআরআই (সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন) তে কাজ করছিল একজন, তিনিও মারা গেছেন। এছাড়া পরিচিত অনেকেই সেদিনের দুর্ঘটনার কারণে দুনিয়াতে নেই। যারা আহত তাদের কয়েক জনের অবস্থা খুবই খারাপ। এমন খারাপ যে, তাদের সেখানে থেকে আনারও সুযোগ নেই। সেখানে যা কাজ করার, চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা আরো কী করতে পারি, আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপাল এয়ারপোর্ট এখন দুর্ঘটনাকবলিত এলাকা।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

বেনাপোল সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ প্রকাশ্যে অস্ত্রধারী সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে নারী বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩

ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

দাবি ও ১২ লক্ষ্য চূড়ান্ত করেছে বিএনপি

দুর্বৃত্তের গুলিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মী নিহত

তারা কেন এত উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন?

দৃশ্যপটে বৃহত্তর জোট এক মঞ্চে উঠছেন বিরোধী নেতারা

সিনহার বই নিয়ে বাহাস

কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রথম দিককার চিঠি

নিউ ইয়র্কে দুটি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র আশুরা আজ

তারুণ্যের ব্যর্থতায় লজ্জার হার

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে

মানবাধিকার ও নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে দুই সংস্থার উদ্বেগ