হকিং কেন নোবেল পান নি!

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ১৫ মার্চ ২০১৮, বৃহস্পতিবার
স্যার আলবার্ট আইনস্টাইনের পর সবচেয়ে সফল বিজ্ঞানীদের অন্যতম প্রফেসর স্টিফেন হকিং। তিনি বিজ্ঞানে কালজয়ী সব থিওরি বা তত্ত্বের অবতারণা করেছেন। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল পরিয়ে দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কিন্তু তাকে দেয়া হয় নি নোবেল পুরস্কার। এমনকি ‘ব্ল্যাক হোলও মরতে পারে’ এমন তত্ত্ব দেয়ার পরও তিনি কোনো নোবেল পুরস্কার পান নি। কিন্তু কেন? এ প্রশ্ন সামনে আসা স্বাভাবিক।
স্টিফেন হকিংয়ের ‘ব্ল্যাক হোলসও মরতে পারে’ তত্ত্ব এখন থিওরিটিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে মেনে নেয়া হয়েছে। তবে তার এই তত্ত্বটি যাচাই করার কোনো উপায় নেই। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনে ‘দ্য সায়েন্স অব লিবার্টি’ বইয়ের লেখক টিমোথি ফেরিস এমন কথা লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, স্টিফেন হকিং নোবেল পুরস্কার পেতেন, যদি তার তত্ত্বকে প্রমাণ করা যেতো। অথবা চোখের সামনে দেখানো যেতো যে ব্ল্যাক হোল মারা যাচ্ছে। কিন্তু এই ব্ল্যাক হোলসের মৃত্যু তো হবে না আরো কয়েক শত কোটি বছরেও। প্রথমে একটি ব্ল্যাকহোল বিস্ফোরিত হতে এই সময়ের প্রয়োজন। একই রকম কারণে ২০১৩ সালের আগে হিগস বোসন তত্ত্বের প্রবক্তা পিটার হিগস নোবেল পুরস্কার পান নি। তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ সময়। ইউরোপীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সার্ন এক পর্যায়ে ঘোষণা দেয় যে, হিগস বোসোন কণা প্রত্যক্ষ করা হয়েছে। এরপরের বছরেই ২০১৩ সালে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার জেতেন পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলার্ট।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার: ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশী ভক্তদের জন্য মেসির ভিডিও (ভিডিওসহ)

তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ১২জন

জর্জটাউন ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি কনফারেন্স ২০ জুন

সাবেক দুই পর্নো তারকার ৬ মাসের জেল

যে যুবতী ফুটবল মাঠে পোশাকের তোয়াক্কা করেন না

যেমন করে নির্যাতিত হন প্রিসিয়াসরা

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সরাসরি সম্প্রচার চলাকালে নারী সাংবাদিককে অকস্মাৎ চুমু, অতঃপর

সংঘর্ষের জেরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উত্তেজনা

‘সেটা আসলে এখনই বলতে পারছি না’

৪ মিনিটে মিশরের জালে আরো ২ গোল রাশিয়ার

কলম্বিয়াকে হারিয়ে জাপানের ইতিহাস

প্রচারণায় কেন্দ্রীয় নেতারা উত্তেজনা বাড়ছে

গ্যালারিতে অন্য আকর্ষণ

উছিলা বিশ্বকাপ উদ্দেশ্য ভিন্ন