চট্টগ্রামে দুই শিশুকে ৩ মাস ধরে ধর্ষণ

এক্সক্লুসিভ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | ১৪ মার্চ ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৭
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে দুই পরিবারের দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হোসেন (৩৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার মেয়ে দুটির বয়স মাত্র ৭ ও ৯।
আজ ১৩ই মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে তোলার পর যুবক মো. হোসেন দুই শিশুকে তিন মাস ধরে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেয়।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর আদালতে ধর্ষক মো. হোসেনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 
তিনি বলেন, ধর্ষক মো. হোসেন দুই কন্যা শিশুকে তিন মাস ধরে ধর্ষণের স্বীকারোক্তি পুলিশকেও দেয়। জবানবন্দির পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। 
ওসি জানান, মো. হোসেনের বাড়ী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানায়। তার পিতার নাম রাকিব সুলতান।

সে একজন পোশাক শ্রমিক। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরে হাটহাজারীর থানার দক্ষিণ কুয়াইশ এলাকার আমগাছ তলা এলাকায় বসবাস করে আসছিল।
গত সোমবার স্থানীয় ইউপি মেম্বার লোকমান হাকিম দুই পরিবারের দুই শিশুকে ধর্ষণের কথা পুলিশকে জানায়। পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে মো. হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
ইউপি মেম্বার লোকমান হাকিম জানান, ধর্ষক মো. হোসেন দক্ষিণ কুয়াইশ এলাকার বসবাস করার সুযোগে স্থানীয় দুই পরিবারের দুই কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করে।
যাদের একজনের বয়স ৭ ও অন্য জনের বয়স ৯ বছর। গত ৭ই মার্চ ৯ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণকালে তাদের পরিবার ধরে ফেলে। পরে অপর পরিবারের ধর্ষিতা শিশুও ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানায়। যা পুলিশকে জানানোর পর মো. হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। 

উল্লেখ্য, গত রবিবার (১১ মার্চ) বিকালে একই উপজেলার ধলই ইউনিয়নের কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন করে হত্যার উদ্দেশ্যে উপূর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় ওই স্কুলের দপ্তরি আপন চন্দ্র মালী (৫০)। এ ঘটনায় চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-০৩-১৩ ২১:৫৪:৩৯

পৃথিবীর অনেক দেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন হয়েছে ও হচ্ছে। ভারতে মৃত্যুদণ্ড আইন হয়েছে। দঃ কোরিয়ায় খোঁজা করার আইন ছিল। ইন্দোনেশিয়ায় সেই একই আইন পাস হয়েছে। তুরস্কে নপুংসক করার আইন হয়ে গেছে। অথচ বাংলাদেশে তিন বৃহৎ দলের শীর্ষে তিন মহিলা (একজন প্রধান মন্ত্রীও) তবু ঐ রকম আইন পাস হচ্ছে না। সাংসদরা কি ধর্ষণের খবরে উৎফুল্ল । তাদের কি দায় দায়িত্ব নাই অবলা নারী ও শিশুদের ইজ্জতের নিরাপত্তা বিধানে তৎপর হওয়ার।

আপনার মতামত দিন

নিহত কাউন্সিলর একরামের বাড়িতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান

২০ লাখ টাকায় সমঝোতা

রাজশাহীতে বিএনপি প্রার্থী বুলবুল, বরিশালে সরোয়ার

গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান

আবহাওয়া সুবিধার বলে মনে হচ্ছে না: হাসান সরকার

রাম মন্দির নির্মাণ, গরু রক্ষা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ৩ দিনের বৈঠক

প্রকাশ্যে সৌদি আরবে গাড়ি চালালেন নারীরা

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

সানগ্লাসের জন্য কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোকে জরিমানা

চট্টগ্রামে জামায়াত নেতা ভেবে ভুল ব্যক্তিকে আটক

কর্ণফুলী কলেজের ডরমেটরিতেও অসামাজিক কার্যকলাপ!

ফিফার বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ সার্বিয়ার

মেক্সিকোতে ফূটবল দর্শকদের ওপর গুলিতে নিহত ১৪

বৃটেনের রাজপথে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া ছাড়া চীনেও পোশাক শ্রমিকদের ওপর যৌন হয়রানি

কুমিল্লার এক মামলায় খালেদার জামিন বিষয়ে আদেশ ২রা জুলাই