গৌরবময় ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ করতে হবে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩৬
গৌরবময় ইতিহাস ও কৃষ্টিকে কেউ যেন ভুলে না যায় সেজন্য তা সংরক্ষণ এবং মর্যাদা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, আমরা একটা জাতি, বাঙালি জাতি, আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি- আমাদের গৌরবের অনেক কিছু রয়েছে, সেসব আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি- সেগুলো কেউ যেন ভুলে না যায় সেজন্য এর যথাযথ মর্যাদাও আমাদের দিতে হবে। গতকাল সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার যে আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল তা ছিল জাতি হিসেবে আমাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য। রাজনৈতিক অধিকার অর্জনের মধ্যদিয়েই আমরা অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করতে পারি।
আর 
আমাদের সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হতে পারে। কাজেই আমরা জাতির পিতার আদর্শ নিয়েই সবসময় এগিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই বিশ্বদরবারে একটা মর্যাদাপূর্ণ দেশ হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ২১ জন দেশবরেণ্য ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে পদক-২০১৮ প্রদান করেন।
পুরস্কার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পদক বিজয়ীদের হাতে স্বর্ণের মেডেল, সম্মাননাপত্র এবং ২ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত পাঠ করেন। এছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহিম হোসেইন খান স্বাগত বক্তৃতা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, যে বাংলাদেশ এক সময় ক্ষুধা ও দারিদ্র্যে জর্জরিত ছিল। আজকে আমাদের প্রচেষ্টায় আমরা তা থেকে মুক্তি পেয়েছি। যে জাতি রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা আনতে পারে, তারা কারো কাছে ভিক্ষা করে চলবে না। বিশ্বদরবারে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। সেটাই আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আর সেই চেষ্টাটাই আমরা করে যাচ্ছি। তিনি এ সময় আমাদের জাতীয় উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপনে দেশবাসীর জন্য তার সরকারের ভাতা প্রদানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি অর্জনের পেছনেই কিন্তু রক্ত দিতে হয়েছে, অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। কিছুই এমনি এমনি হয়নি। তিনি বলেন, পাকিস্তানের কাছ থেকে আমরা আলাদা হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করলেও ওই পাকিস্তানিদের কিছু প্রেতাত্মা এখনও এ মাটিতে রয়ে গেছে, যারা ওই প্রভুদের ভুলতে পারে না। যেজন্য আমাদের ঐতিহ্যের ওপর আঘাত আসে। ভাষার ওপর আঘাত আসে। রাজনৈতিক অধিকারের ওপর আঘাত আসে। বারবার আমাদের সংগ্রাম করতে হয়। তবে, আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ

যৌন হেনস্তায় অভিযুক্ত আর্জেন্টাইন কোচ

বিস্মিত ফিফার লোকজন বলেছিলেন ওহ্‌ মাই গড

পেনাল্টি গোলে দ. কোরিয়াকে হারালো সুইডেন

খালেদার চিকিৎসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি

মৌলভীবাজারে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৭

জাহাঙ্গীরের পথসভা, খুলনার মতো নির্বাচন করতে না দেয়ার ঘোষণা হাসানের

অর্থমন্ত্রীকে আইজিডব্লিউ অপারেটরস ফোরামের সভাপতির অভিনন্দন

ঈদের ছুটিতে সড়কে ঝরলো ২৯ প্রাণ

বিডিনিউজ বন্ধের নির্দেশ

শোলাকিয়ায় বৃহত্তম ঈদ জামাত

পেনাল্টি গোলে দ. কোরিয়াকে হারালো সুইডেন

বিএনপি রাজনীতি করার ইস্যু খুঁজছে: ওবায়দুল কাদের

মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন মহানগর উত্তর বিএনপির ৩০ নেতা

বিচারবহির্ভূত একশনের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘের আহ্বান

বিশ্বকাপ দেখতে চাকরি ছাড়ছে কলম্বিয়ানরা