ভাগ-বাটোয়ারা দ্বন্দ্বে ১৯ স্কুলের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

বাংলারজমিন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮, রোববার
পদের সংখ্যা ১৯টি। মোট চাকরি প্রত্যাশী ১৫৪ জন। নিয়োগ কমিটিতে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সভাপতি, স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, প্রত্যেক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক এবং নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব। অভিযোগ উঠেছে, একেকজন নিয়োগ কমিটির সদস্য তাদের মনোনীত প্রার্থীদের কাছ থেকে চাকরি দেয়ার নামে ৬/৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কাকে চাকরি দিবে, কাকে টাকা ফেরত দিবে এই নিয়ে স্নায়ু যুদ্ধ চলছে নিয়োগ কমিটির মধ্যে। অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ১০ তারিখে সকাল ১১টায় উপজেলা হলরুমে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ভাগ-বাটোয়ারা দ্বন্দ্বে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬/০৩/২০১৫ইং তারিখের উনিঅ/রাণী/ঠাক/দপ্তরী নিয়োগ/২০১৫/২২০নং স্মারক মোতাবেক ভরনিয়াহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধুলঝাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পারকুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলশিয়া হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রহ্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোচল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিপুর বটতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুনতোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুনিষগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভণ্ডগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিংহোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নন্দুয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জওগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১৯টি বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। সরজমিনে দেখা গেছে, ভরনিয়াহাট বিদ্যালয়ে ৮ জন, ধুলঝাড়ী বিদ্যালয়ে ৬ জন, পারকুন্ডা বিদ্যালয়ে ৯ জন, আলশিয়াহাট বিদ্যালয়ে ৬ জন, নিয়াপাড়া বিদ্যালয়ে ৪ জন, ভবানীপুর বিদ্যালয়ে ৬ জন, ব্রহ্মপুর বিদ্যালয়ে ১২ জন, কোচল বিদ্যালয়ে ৮ জন, মাধবপুর বিদ্যালয়ে ৭ জন, কাশিপুর বটতলা বিদ্যালয়ে ১১ জন, নুনতোর বিদ্যালয়ে ৭ জন, গোপীনাথপুর বিদ্যালয়ে ১৬ জন, বাহেরপাড়া বিদ্যালয়ে ৬ জন, বনগাঁও বিদ্যালয়ে ৫ জন, মুনিষগাঁও বিদ্যালয়ে ৭ জন, ভণ্ডগ্রাম বিদ্যালয়ে ৬ জন, সিংহোর বিদ্যালয়ে ১৯ জন, নন্দুয়ার বিদ্যালয়ে ৯ জন, জওগাঁও বিদ্যালয়ে ১৯ জনসহ ১৯টি বিদ্যালয়ে মোট ১৭১ জন চাকরির জন্য আবেদন করে। এদের মধ্যে ১৭ জনের আবেদন ভুলত্রুটির কারণে বাতিল হয়ে যায়। কী কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হলো জানতে চাইলে নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, মো. জামাল উদ্দীন চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, পরীক্ষা স্থগিতের কারণ আমি বলতে পারবো না। তবে নিয়োগ কমিটির সভাপতির কথামতো আমি পরীক্ষা স্থগিত করেছি। এ ব্যাপারে নিয়োগ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মো. নাহিদ হাসান মানবজমিনকে বলেন, উন্নয়ন মেলার ঝামেলাজনিত কারণে আমি পরীক্ষা স্থগিত করতে বলেছি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এএম শাহজাহান সিদ্দিক মানবজমিনকে বলেন, নিয়োগের বিষয়টি আমার সংশ্লিষ্টতার মধ্যে পড়ে না। যেহেতু আমার দপ্তর এর পরীক্ষা সেহেতু আমি শিক্ষা অফিসারকে বলে দিবো পরীক্ষা যাতে ফেয়ার হয়।


এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

অভিযোগের পাহাড়, অসহায় ইউজিসি

প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না আজ

মৈত্রী এক্সপ্রেসে শ্লীলতাহানির শিকার বাংলাদেশি নারী

‘২০৬ নম্বর কক্ষে আছি, আমরা আত্মহত্যা করছি’

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা হারালেন ঢাবি ছাত্র

পুলে যাচ্ছে সেই সব বিলাসবহুল গাড়ি

নীলক্ষেত মোড়ে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, এমপির আশ্বাসে স্থগিত

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফর সফল করতে নির্দেশনা

নেতাকর্মীরা জেলে থাকলে নির্বাচন হবে না: ফখরুল

তিন দিনের ধর্মঘটে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

ইডিয়ট বললেন মারডক

সহায়ক সরকারের রূপরেখা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে

২৩শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

বাসায় ফিরছেন মেয়র আইভী

‘আমাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে’

জনগণ রাস্তায় নেমে ভোটাধিকার আদায় করবে: মোশাররফ