কেন নোংরা দেশের লোকজন যুক্তরাষ্ট্রে আসছে?

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১২ জানুয়ারি ২০১৮, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৫৩
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিয়ে এবার কটু মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বৃহ¯পতিবার ওভাল অফিসে সাংসদদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি বলে ওঠেন, কেন নোংরা দেশগুলো থেকে লোকজনকে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে দেয়া হচ্ছে? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই হীন মন্তব্য মূলত হাইতি, এল সালভাদর ও আফ্রিকার দেশগুলোর অভিবাসীদের নিয়ে। ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। ট্রাম্পের এমন কট’ক্তিতে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই। সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে ডেমোক্রেট-রিপাবলিকান উভয় শিবিরেই। গণমাধ্যমেও ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে তার এমন বক্তব্য।
ট্রাম্পের এ ধরণের কটু মন্তব্যের সমালোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের একজন ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা টুইটে বলেছেন, তার (ট্রাম্পের) ওই অমার্জনীয় বক্তব্যকে আমি প্রত্যাখ্যান করছি। কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্য মিয়া লাভ বলেছেন, নিজের নির্দয়, বিভেদমূলক ও শ্রেণীবিভেদকারী মন্তব্যের জন্যে ট্রাম্পের ক্ষমা চাওয়া উচিত। কৃষ্ণাঙ্গ ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতা সেড্রিক রিচমন্ড বলেন, ট্রাম্পের আবার আমেরিকাকে মহান করে তোলার এজেন্ডা আসলে আবার আমেরিকাকে শ্বেতাঙ্গ (বর্ণবাদী) করে তোলার নামান্তর। তবে ট্রাম্পের এই কটুক্তির পক্ষে সাফাই গেয়েছে হোয়াইট হাউজ। এ সম্পর্কে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র রাজ শাহ এর দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজনীতিবিদ ভিনদেশিদের পক্ষে লড়েন, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় আমেরিকার জনগণের পক্ষে লড়বেন। আরো বলা হয়, যেখানে অন্যান্য দেশেও মেধাভিত্তিক অভিবাসন নীতির চল রয়েছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রও অভিবাসী গ্রহণের ক্ষেত্রে যোগ্যতার মাপকাঠি অনুযায়ী অভিবাসী নেবে। অতএব, যারা যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন, এর সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যেতে পারবেন- তাদেরকেই অভিবাসনের সুযোগ দেয়া হবে। অস্থায়ী এবং অদূরদর্শী অভিবাসন নীতি- যা যুক্তরাষ্ট্রের পরিশ্রমী জনগণের জীবন হুমকির মুখে ঠেলে দেয়-এমন সব উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করা হবে। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে এক ঘোষণায় ট্রাম্প প্রশাসন আগামী বছরের মধ্যে তিন দশক ধরে অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করা এল সালভাদরের দুই লাখ লোককে দেশে ফিরে যেতে ১ বছর সময় বেঁধে দিয়েছে। ১৯৯১ সালে দেশটিতে সংঘটিত ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তা-বের শিকার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের এই সুযোগ মিলেছিল। সোমবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তিন দশক আগে সালভাদরের ভুমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বেশিরভাগ অবকাঠামোর মেরামত সম্পন্ন হয়েছে, তাই দেশটির নাগরিকদের আর যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ীভাবে বসবাসের প্রয়োজনীয়তা দরকার নেই। এর পূর্বে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ীভাবে বসবাস করা এল সালভাদর, হাইতি ও নিকারাগুয়ার নাগরিকদের টেম্পোরারি প্রটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আজাদ

২০১৮-০১-১২ ২২:৪৭:৫৫

যুক্তরাষ্ট্রের শ্বেতাঙ্গ নাগরিকরা নোংরা বলেই এমন নোংরা ব্যক্তিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন।

alim

২০১৮-০১-১৩ ১০:১৬:৫৭

“ আসলে সে নিজেই একটা নোংরা মানুষিক রোগী ৷অহংকার পতনের মূল ৷”

Abdul hqaue

২০১৮-০১-১২ ০৯:৫৯:৪৯

এমন মমন্তব্য করা উচিৎ হয়নি

আপনার মতামত দিন

অভিযোগের পাহাড়, অসহায় ইউজিসি

প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না আজ

মৈত্রী এক্সপ্রেসে শ্লীলতাহানির শিকার বাংলাদেশি নারী

‘২০৬ নম্বর কক্ষে আছি, আমরা আত্মহত্যা করছি’

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা হারালেন ঢাবি ছাত্র

পুলে যাচ্ছে সেই সব বিলাসবহুল গাড়ি

নীলক্ষেত মোড়ে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, এমপির আশ্বাসে স্থগিত

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফর সফল করতে নির্দেশনা

নেতাকর্মীরা জেলে থাকলে নির্বাচন হবে না: ফখরুল

তিন দিনের ধর্মঘটে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

ইডিয়ট বললেন মারডক

সহায়ক সরকারের রূপরেখা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে

২৩শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

বাসায় ফিরছেন মেয়র আইভী

‘আমাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে’

জনগণ রাস্তায় নেমে ভোটাধিকার আদায় করবে: মোশাররফ